ঢাকা খ্রিষ্টাব্দ। বঙ্গাব্দ। সময়ঃ |

হৃদয়ে দাগ কাটলো যে নাটক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং, দেখা হয়েছে: ৪৫৮৯ বার।
হৃদয়ে দাগ কাটলো যে নাটক ছবির ক্যাপশন: আবুল হায়াত, ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল
ad728
ছবি -আবুল হায়াত, ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল

হৃদয়ে দাগ কাটলো যে নাটক
স্টাফ রিপোর্টারঃ পারিবারিক গল্পের নাটকে ফিরছে দর্শক। সম্প্রতি রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত "যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া"নাটকটি দর্শকদের হৃদয়ে দাগ কেটেছে।প্রশংসা কুড়িয়েছে দর্শকদের।সম্পূর্ণ পারিবারিক গল্পের এই নাটকটি রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু। পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র। যৌথ পরিচালনায় এটা তাদের ৩৪তম নির্মাণ। 
ছবি -অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র


মো:জামাল হোসেনের প্রযোজনায় রঙ্গন মিউজিকের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে নাটক টি। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, আশরাফুল আলম সোহাগ,রেশমা আহমেদ,আজম খান, ইফতেখার পলাশ, রাজীব নটরাজ, সুজন ভৌমিক এবং  আজিজুল ইসলাম।নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন, সম্পাদনায় রমজান আলী,আবহসংগীত এবং গান করেছেন প্রত্যয় খান।


নাটকটি দেখে দর্শকদের আবেগঘন কমেন্টে ভরে গেছে ইউটিউব। এক দর্শক লিখেছেন, নাটক টা এতটা বাস্তবধর্মী আর এত হৃদয়স্পর্শী যে শেষ মুহুর্তে কান্না না করে পারলাম না। আরেক দর্শক লিখেছেন, বর্তমান সময়ের ছেলেমেয়েদের এই নাটকটা দেখা খুবই দরকার।অসাধারণ  সামাজিক নাটক। এরকম অগণিত কমেন্ট দেখে বোঝা যায়, অনেক দিন পর এই নাটকের মাধ্যমে তৃপ্ত হয়েছে দর্শক হৃদয়।  


নাটকের গল্পের দেখা যায়-
হায়াত সাহেব ৬০+ বৃদ্ধ। সারাজীবন মফস্বলে চাকরি করেছেন। একমাত্র ছেলে জাফরকে জমি জমা যা ছিল তা বিক্রি করে ঢাকায় পড়িয়েছেন। জাফর এখন বিয়ে করে ঢাকায় সেটলড। অন্যদিকে হায়াত সাহেবের স্ত্রী মারা গেছেন। তিনি ডিমেনশিয়া রোগে ভুগে যা তা অবস্থা। তিনি চিকিৎসার জন্যে ঢাকা আসেন তার একমাত্র ছেলে জাফরের বাড়িতে। জাফরের স্ত্রী টুম্পাও চাকরিজীবি। বাবাকে দেখে জাফর ও টুম্পা দুজনেই খুশি ও আন্তরিক হলেও ধীরে ধীরে পারিপার্শ্বিক কারণে তিক্ততা শুরু হতে থাকে। তাতে আরো বাতাস দেয় টুম্পার ছোট মামা। তাদের ছোট সংসার। দুজনে আয় করে সংসার চালিয়ে একটা সচ্ছলতা এনেছে। কিন্তু বিলাসীতা নেই। এর মধ্যে বাবার চিকিৎসা দেখাশোনা কে করবে? জাফর টুম্পাকে অভয় দিয়ে বলে চিন্তা করো না একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে। বাবাই তো ছোটকাল থেকে আমাকে বড় করেছে, লেখাপড়া শিখিয়েছে, এমনকি তার যেসব প্রপার্টি ছিল সেগুলো বিক্রি করে দিয়েছে আমার স্টাবলিশমেন্টের জন্য। আর বাবার এই দুর্দিনে আমার তো তার পাশে থাকা দায়িত্ব। কিন্তু ঝামেলা বাড়তে থাকে। এমনই দোদুল্যমানতার মধ্যে খুঁজে পাবো পিতাপুত্রের আশ্চর্য মানবিক গল্প।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টারঃ

কমেন্ট বক্স
সাংবাদিকতা পেশায় রাজনৈতিক দলবাজি বন্ধ করা দরকার: সংস্কার কমি

সাংবাদিকতা পেশায় রাজনৈতিক দলবাজি বন্ধ করা দরকার: সংস্কার কমি