১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলা, ১ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত গ্রেফতার
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের
শার্শায় ১১ বছরের এক শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা
মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামিকে মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে
পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামির নাম মোঃ মকছেদ আলী (৫৫)। তিনি শার্শা থানার মহিষা (মোল্লাপাড়া)
গ্রামের মৃত কোরবান আলী মোড়লের ছেলে। ভিকটিম শিশুটি (১১) মহিষা সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী ।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে
জানা যায়, ভিকটিম শিশুটি অভিযুক্ত মকছেদ আলীকে 'মেঝ আব্বু' বা চাচা বলে
ডাকত এবং তারা পরস্পর প্রতিবেশী। গত ১২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে বিকেল
অনুমান ৪টার দিকে শিশুটি স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে বিকেল ৫টার দিকে আসামির
বাড়ির পাশে বাদীর বড় ভাইয়ের বাড়িতে খেলাধুলা করতে যায়।
এ সময়
অভিযুক্ত মকছেদ আলী ভিকটিমকে টাকার লোভ দেখিয়ে পাশের একটি ঘেরের পূর্ব
পাশের পাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি কান্নাকাটি করলে তাকে ২০
টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি দেখানো
হয়। ঘটনার পর থেকে শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে শিশুটি
তার প্রতিবেশী খালা মোছাঃ ফাতেমা বেগমকে ঘটনাটি জানালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
এ
ঘটনায় ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি
নিয়মিত ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজু হওয়ার পর যশোর জেলার পুলিশ
সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সার্বিক
তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ মোস্তাক আহামেদ সঙ্গীয়
ফোর্সসহ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাৎণিক অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে
মামলা রুজুর মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ ১৯ আগস্ট রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে
শার্শার মহিষা এলাকা থেকে এজাহারনামীয় একমাত্র পলাতক আসামি মোঃ মকছেদ আলীকে
গ্রেফতার করা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামিনুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে ১৯ আগস্ট তারিখ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
মো: আনিছুর রহমান
মো: আনিছুর রহমান