মধুখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পারমিস সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্ত বৈঠক

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের উথলী আমডাঙ্গা কাজী ফরিদা সিরাজ উচ্চ বিদ্যানিকেতনে সহকারী শিক্ষক মাকসুদা পারভীনের দায়ের করা মামলা সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষককের অভিযোগ এবং পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর মধুখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পারমিস সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার উপজেলা মিলনায়তনে ১ সদস্যের তদন্ত কমিটি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিঞ্চুপদ ঘোষালের দিন ব্যাপি তদন্ত বোর্ডের সামনে অভিযোগ কারী ও স্বাক্ষীগণ নিজ বক্তব্য উপাস্থাপন করেন।

সম্প্রতি ২০২০ সালের মার্চ মাসে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়। এমপিও ভুক্তের প্রয়োজনীয় সকল আবশ্যিক বৈধ কাগজপত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হক অন্যান্য সকল শিক্ষক কর্মচারীর সাথে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পারমিস সুলতানার দপ্তরে জমাদেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পারমিস সুলতানা এমপিও ভুক্তির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে অন্যান্য সকলের কাগজত্র পাঠালেও, মাকসুদা পারভীনের কাগজপত্রাদি না পাঠিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন। প্রয়োজনীয় চাহিদা মাফিক অর্থ প্রদান না করায়, মাকসুদা পাভীন এমপিও থেকে বাদ পড়েন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করেন। একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষককে হয়রানী করেন।

অভিযোগকারী অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি হলো,পৌরসভার শ্রীপুর গ্রামে অবস্থিত শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত কাজী সিরাজ স্কুল এন্ড কলেজ, কামালদিয়া ইউনিয়নের পাঁচই গ্রামের পাঁচই উচ্চ বিদ্যালয়,গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর সিনিয়র মাদরাসা। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আছে। ভুক্তভোগি শিক্ষকগণ তদন্ত কর্মকর্তার নিকট প্রমানসহ তথ্য পেশ করেন।

তদন্তের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তাঁর মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি জানান তদন্তের বিষয়ে কিছুই বলা যাবে না। স্থানীয় শিক্ষকদের মাধ্যমে জানতে পারবেন।

Please follow and like us: