জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অনলাইন প্রশিক্ষণ শুরু

বাগেরহাট জেলার, কচুয়া প্রেসক্লাবে শুক্রবার জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। ‘সুশাসনের জন্য কৌশলগত যোগাযোগ’ শীর্ষক দুই দিন ব্যাপি এই কর্মশালায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ২৫ গণমাধ্যমকর্মী অংশগ্রহণ করছেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টায় অনলাইনে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের অতিরিক্তি সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের অতিরিক্তি সচিব ড. মো. গোলাম ফারুখ, যুগ্ম-সচিব আয়েশা আক্তার, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিৎ দেবনাথ। আর্মেনিয়া থেকে যুক্ত হন প্লাটফর্ম ফর ডায়লগ (পিফরডি)’র দল নেতা আর্সেন স্টেফেনিয়ান। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও উন্নয়ন) মো. মুনজুরুল আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে যুক্ত ছিলেন, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক আবু জাফর গাফ্ফারী, জাহিদ রিপন, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো.জাহারুল ইসলম প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, জনগণকে সম্পৃক্ত করে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে ও সরকারি কর্মকান্ডে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প নেয়া হয়েছে। সরকারের পাঁচটি কৌশলপত্র- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, তথ্য অধিকার, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা ও বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সম্বন্ধে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশিক্ষণের কার্যক্রম রয়েছে ওই প্রকল্পে। বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের যৌথ অর্থায়নে পিফরডি প্রকল্পের আওতায় সাংবাদিকদের এই প্রশিক্ষণ চলছে। প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে আছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। সমন্বয় করছে বৃটিশ কাউন্সিল। বাস্তবায়ন করছে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিসিএস প্রশাসন একাডেমী ও জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট।

কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল জানান, সরকারের ওই পাঁচটি কৌশলপত্র সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীরা সচেতন হলে জনগণকে তাদের অধিকার সম্পর্কে জানাতে পারবে। এতে জনগণও উপকৃত হবে।

Please follow and like us: