রাজবাড়ীর সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চায়,শেখ সোহেল রানা টিপু 

মিঠুন গোস্বামীঃ
রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান ১/১১ তে গনতান্ত্রিক রাজনীতির চরম দুঃসময়ে অবৈধ ফখরুদ্দীন সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কঠোর আন্দলোনের ডাক দেওয়া তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু।
ছাত্রজীবনে থেকেই তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থালাভ করেন। তিনি ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি জসীমউদ্দীন হল শাখা ছাত্রলীগ,সাবেক  সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দ্বায়ীত্ব পালন করেন। তিনি দ্বায়ীত্ব পালন করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের। শুধু তাই নয়, তিনি আওয়ামিলীগ অঙ্গ সংগঠন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দ্বায়ীত্ব পালন করেন।
তিনি সর্বপ্রথম স্বৈর সমর্থিত সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেত্রী মুক্তি আন্দোলন শুরু করেন – যার ফলশ্রুতিতে সারা দেশে নেত্রী মুক্তি আন্দোলন শুরু হয়।
এই মেধাবী সাবেক  ছাত্রলীগ নেতার জন্মস্থান রাজবাড়ী জেলার কালুখালি উপজেলাধীন মোহনপুরে। তার পিতা শেখ রফিকুল ইসলাম মুজিব রণাঙ্গনের সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি দীর্ঘ সময় কালুখালি উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করে চলেছে।
শুধু তাই নয় এই মেধাবী সাবেক  ছাত্রলীগ নেতার কাকা  শেখ ফরিদ উদ্দিন – বৃহত্তর পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি
ও রাজবাড়ী জর্জ কোটের সাবেক পিপি।
শেখ সোহেল রানা টিপুর পরিবার মুজিব রণাঙ্গনের যোদ্ধা ও আওয়ামিলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হওয়ায় ছোট থেকে তিনি বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত ছাত্রসংগঠন, ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে যান।
এই মেধাবী সাবেক  ছাত্রলীগ নেতার ৭৫’র পরবর্তী পাংশা,বালিয়াকান্দি, কালুখালীর আওয়ামী রাজনীতিতে চরম অবদান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামীলীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে রাজবাড়ীর নবীন প্রবীণ আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী ও আওয়ামীলীগের  অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের ভালোবাসা রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়ীত্ব গ্রহণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা যায়।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ সোহেল রানা টিপুকে  রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কেন্দ্রীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম দীর্ঘদিন।এখন আমি আমার পিছিয়ে পড়া জেলাকে এগিয়ে নিতে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশ  আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ হাসিনার প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই মেনে নিবো।
Please follow and like us:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here