সাতক্ষীরার তালার খলিষখালীর জালিয়াতি চক্রের হোতা

সাতক্ষীরার তালার খলিষখালীর জালিয়াতি চক্রের হোতা সত্য প্রসাদ ঘোষ কর্তৃক মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার তালার খলিষখালীর চিহ্নিত জালিয়াতি চক্রের হোতা সত্য প্রসাদ ঘোষ কর্তৃক সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার খলিষখালী গ্রামের মৃত ঠাকুর দাশ ঘোষের পুত্র গোবিন্দ লাল ঘোষ। ।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২ আগষ্ট সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে খলিষখালী গ্রামের মৃত. হরিপদ ঘোষের পুত্র সত্য প্রসাদ ঘোষ একটি মিথ্যা, হয়রানি মূলক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ও কাল্পনিক। প্রকৃতপক্ষে ওই সম্পত্তির উপরে তার কোন অধিকার নেই। তার বাড়িও সাতক্ষীরায় না। সে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাড়–লি গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৭১ সালের পর আমার পিতা তাকে আমাদের বাড়িতে আশ্রয় দেন। আশ্রয় পাওয়ার পর আমাদের বিশাল সম্পত্তির উপর তার ক-ুনজর পড়ে। আমার দাদু ও দাদুর ওয়ারেশগণ এস.এ.রেকর্ডের প্রজা। গাছা মৌজায় ১৮ বিঘা জমি খলিষখালী গ্রামের বিজয় কৃষ্ণ বসুর নামে ভ্রমার্তক এস.এ.রেকর্ড হয়। বিজয় কৃষ্ণ বসু ১৯৬২ সালের পর স্ব পরিবারে ভারতে চলে যান। ১৯৭৩ সালে বিজয় কৃষ্ণের দুইপুত্র ভ‚য়া সাজিয়ে কবলা দলিল করে নেন এবং উক্ত সম্পত্তি ইতিমধ্যে বিক্রয় করে আত্মসাত করেছে জালিয়াতির চক্রের হোতা সত্য প্রসাদ ঘোষ। তালা ইসলামকাটি রেজিষ্ট্রি অফিসের ৫৫ থেকে ৭০ সালের ভলিউম স্বাধীনতা বিরোধীরা পুড়িয়ে দেয়। এবিষয়টি কাজে লাগিয়ে ওই এলাকার মকলন্দকাটি গ্রামের বারিক দফাদার, জলিল দফাদার, কালাম শেখ, বারিক দফাদার তাদের পিতার নামে ওই এলাকায় ১২ বিঘা জমি জাল কবলা দলিল সৃষ্টি করে। যার সনাক্ত করেন সত্য প্রসাদ ঘোষ। এরপর সেসহ উক্ত ব্যক্তিরা ওই সম্পত্তি দখল করতে গেলে আমি ফৌজদারী মামলা করি। যার নং পাটকেঘাটা থানা জি আর মামলা-৮/১৪ ও জি আর ৩৯/১৩। সাতক্ষীরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ ও ৪ এ মামলাটি চলমান রয়েছে। এরপরও সে থমে থাকেনি। আমার দাদু ও দাদু’র ওয়ারেশদের স্বাক্ষর জাল করে ভারত থেকে এক পাওয়ার অব এ্যাটর্নী নিয়ে আসে। এরপর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের আদালতে সেটা দিয়ে সে রিস্টাম্প করার আবেদন করে। যা আদালত ভুয়া ও প্রপার চ্যানেলে আসে নাই মর্মে খারিজ করে দেন। ইতিমধ্যে ওই সম্পত্তি ‘ক’ তপশীলে গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর আমি হাইকোর্টে রিট মামলা করি। আর এই সম্পত্তি ‘ক’ তফশীল ভুক্ত হওয়ার কারণে সে আর অর্র্পিত সম্পত্তি ট্রাইব্যুনালে আবেদনও করেনি। একপর্যায়ে কোন উপায় না পেয়ে সে একের পর এক আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদিকদের মিথ্যা তথ্যা দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। যার কোন ভিত্তিহীন নেই।
এমতাবস্থায় আমি উক্ত জালিয়াতি চক্রের হোতা সত্য প্রসাদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

সাতক্ষীরা থেকে
মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহিদ)

Please follow and like us: