তিন তিনবার নির্বাচিত একজন ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার সম্পর্কে কিছু কথা…!!!

0
28
প্রথমেই বলে রাখি দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন প্রতিদ্বন্দিতায় এবং একবার নির্বাচিত হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় অর্থাৎ সিলেকশনে নির্বাচিত মেম্বার। গ্রামবাংলায় জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে/ সালিশি বিচার ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত হলে দেখা যায় বিচারে একপক্ষ রায় পায় এবং অপরপক্ষ হতাশ হয়। স্বাভাবিকভাবেই একজন জনপ্রতিনিধির তাতে সমাজে কিছু প্রতিপক্ষ তৈরি হয়। একজন জনপ্রতিনিধি কখনোই সকলের মন রক্ষা করে চলতে পারে না। বিচার ব্যবস্থায় বসলেই তাকে পক্ষ ও বিপক্ষের মাঝে দাঁড়িয়ে নিরপেক্ষ কথা বলতে হয়। তারপরেও বিচার শেষে রায় একপক্ষ পায়।
প্রসঙ্গত, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার অন্তর্গত ৭ নং গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি মৃত মতিলাল মন্ডল এর বড় ছেলে শ্রীযুক্ত গৌরাঙ্গ লাল মন্ডল কে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে একদল প্রতিপক্ষ তার উপর উঠে পড়ে লেগেছে। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শ্রীযুক্ত গৌরাঙ্গ লাল মন্ডল সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং ৭ নং গুয়ারেখা ইউনিয়নে তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। এই কারণে এলাকার কিছু প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে নিয়মিত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সে যাতে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে তার জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ পরিবেশনের সাথে সাথে এলাকার কিছু দরিদ্র মানুষকে টাকা দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এলাকায় তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসলে ৭ লম্বরেখা ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘুদের উপর অমানবিক হামলা হয়েছে। হামলার হাত থেকে রক্ষা পায়নি ৪ বার নির্বাচিত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, পিরোজপুর জেলার পরিচিতি মুখ শ্রদ্ধেয় জগদীশ চেয়ারম্যান। সেই সময় একজন হিন্দু ভদ্রলোকের ধুতিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। অথচ ৭১ সালেও গুয়ারেখা ইউনিয়নে হিন্দুদের উপর পাকহানাদার ও রাজাকাররা এই ধরনের জঘন্য ঘটনা ঘটাতে পারেনি। তখন শ্রীযুক্ত গৌরাঙ্গ মন্ডল ছিলেন গুয়ারেখা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরিচিত মুখ। তিনি মাঠে নেমে আওয়ামীলীগের নির্বাচন করেছিলেন। তাতে এলাকার তার প্রতিপক্ষরা তার উপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয় এবং যখন নির্বাচনে বিএনপি জামাত জোট ক্ষমতায় আসলো তখন এই তার উপর অমানবিক অত্যাচার চালায়। নির্বাচনের পরের দিন তিনি ঘরে অবস্থান করছিলেন, হঠাৎ বিএনপি-জামাত জোট সরকারের কিছু সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী তার বাড়িতে যায়। তাক ঘর থেকে ডেকে রাস্তায় নিয়ে আসে এবং সেখানে বসে তাকে অমানবিক নির্যাতন চালায়। নির্যাতনের এক পর্যায়ে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তারপর সন্ত্রাসী বাহিনীরা তাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং চিকিৎসা প্রদান করা হয়। সেই ক্ষত তার শরীর থেকে চলে গেলেও মনের মাঝে আজও ক্ষত সৃষ্টি করে রয়েছে। হয়তো সেটা সে আমৃত্যু ভুলতে পারবেনা।
বর্তমানে আবার বিএনপি-জামাতের সেই ক্যাডারবাহিনী মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এবং তার সাথে রয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। মূলত এরা একত্রিত হয়ে এলাকার স্বনামধন্য মেম্বার শ্রীযুক্ত গৌরঙ্গ বাবুকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বারবার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা এলাকার সচেতন নাগরিক হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
সুত্রঃ ফেসবুক মেসেঞ্জারে তথ্য প্রেরনকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি।
Please follow and like us: