ছাত্রীকে বিয়ে করে গোপন রাখায় ৩ সন্তানের জনক শিক্ষক কে গণধোলাই 

ছাত্রীকে বিয়ে করে গোপন রাখায় ৩ সন্তানের জনক শিক্ষক কে গণধোলাই
-মিঠুন গোস্বামী রাজবাড়ীঃ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলাধীন হাবাসপুর ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের প্রদর্শক,বাহাদুরপুর কাজী পাড়ার পন্ডিত আবুল হোসেন কলেজের গণিত শিক্ষক ও তিনি সন্তানের জনক কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে কাজী তারেক (৫২) কে ছাত্রীর সাথে বিয়ে করে গোপন রাখার ফলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে গণধোলাই দিয়েছে।

কাজী তারেক পাংশা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মাসুদ রানা বাদশার জামাই। অপরদিকে মাসুদ রানা স্থানীয় চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির শাকিল এর চাচাতো ভাই।
জানা যায়, প্রথম স্ত্রী থাকার পরও বছর খানেক আগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কে বিয়ে করে গোপন রাখেন ৩ সন্তানের জনক ও শিক্ষক। কলেজ পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি বাহাদুরপুর ইউনিয়নের জয় কৃষ্ণপুর গ্রামে। বিষয়টি  প্রকাশ পেলে গত ২০ জুলাই এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে কাজী তারেক কে গণধোলাই দেয়।
কাজী তারেক কে মুঠোফোনে ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি পরিস্থিতির শিকার। তাকে যখন বলা হয় আপনি তো এই মেয়ের সাথে ক্লাস নাইনে থাকা অবস্থা থেকে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েন। তখন তিনি বলেন আমি বিয়ে করছি।
ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমার কাছে লিখিত অভিযোগ আসলে আমি গভর্নিং বোডে অভিযোগ উপস্থাপন করবো। গভর্নিং যে সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই আমি বাস্তবায়ন করবো।
ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের শিক্ষক নেতা কারশেদ হোসেন বলেন, কাজী তারেকের নামে এর আগেও বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। তবে সে স্থানীয় চেয়ারম্যানের নিকট আত্নীয় হওয়ায়  বলতে পারি নাই। তবে এবার আর ওই চরিত্রহীন কে কলেজে ঢুকতে দেওয়া হবে না। 
 
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় কাজী আব্দুল্লাহ ওরফে কাজী তারেক একই প্রতিষ্ঠানে ২ পদে কর্মরত আছেন।

Leave a Reply