“বাগেরহাট জেলার চিতলমারীতে বসতবাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর লুটপাট, শিশুসহ আহত-২”

বাগেরহাট জেলার, চিতলমারীতে একটি বিরোধপূর্ণ জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে বসতবাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীদের তান্ডবে এ সময় কলিগাতি নতুনহাট এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। রবিবার সকাল ১০ টায় দফায় দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হামলায় এক শিশুসহ দুইজন আহত হয়েছেন। আহতদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

আহত ইকতিয়ার খলিফা (৪৫) বলেন, একই এলাকার চেয়ার উদ্দিনের নিকট থেকে আমি কলিগাতি নতুনহাটে ৫ শতক জমি কিনে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছি। পরবর্তীতে ওই জমি খাস খতিয়ানে গেছে। আমি বর্তমানে খাস জমির উপর রয়েছি। কিন্তু একই এলাকার প্রভাবশালী আউলিয়া শেখ ওই জমি দখল নিতে পায়তারা চালাচ্ছে। এ ঘটনার জের ধরে রবিবার সকালে আউলিয়া ও তার লোকজন আমার বসতবাড়ি এবং দোকানে তান্ডব চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ সময় তারা আমার শিশু কন্যা তাবাচ্ছুম (৩) কে পানিতে ছুড়ে মারে। হামলায় আমি ও আমার শিশু কন্যা গুরুতর আহত হয়েছি।

ক্ষতিগ্রস্ত ইকতিয়ারের ভাই আশিক খলিফা বলেন, সকাল থেকে আউলিয়া বাহিনী দফায় দফায় হামলা চালায়। এ সময় তাদের তান্ডবে কলিগাতি নতুনহাট এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। আমরাও ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি।

আউলিয়া শেখের মা হাফিজা বেগম (৫৭) সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। ওই জমি আমার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি। আজ হতে ১০-১২ বছর আগে ইকতিয়ার খলিফা আমার কাছ থেকে ভাড়া নেয়। সে ভাড়া দিচ্ছে না ঘরও ছাড়ছে না। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। রবি সকালে ওই জায়গা দখল নিতে গেলে এ সংঘর্ষ বাধে।

এ ব্যাপারে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মীর শরিফুল হক বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Please follow and like us: