“প্রতিবেশীর হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে বাগেরহাটে মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন”

বাগেরহাট জেলার মোংলায় প্রতিবেশীর হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন করেছে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দেলোয়ার হোসেন। রবিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দেলোয়ার হোসেন এই সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে প্রানের ভয় না করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক সেনাদের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিলাম। ৯ নং সেক্টরের ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলামের গ্রুপের সাথে সক্রিয় ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছি। যুদ্ধকালীন সময় খুলনা বিভাগের বেশ কয়েকটি জায়গায় সম্মুখ যুদ্ধেও অংশ গ্রহন করেছি। আমি একজন ভাতা প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিবার্তায়ও আমার নাম রয়েছে।

কিন্তু আমার প্রতিবেশী, সুদিপ সরকার, প্রানেশ সরকার ও উত্তম সরকারসহ কিছু মানুষ বছর চারেক আগে থেকেব আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র করে আসছে। প্রাণেশ সরকারের পাঁচ বোন লুনা, রুপালী, বিউটি, সুনিমা ও শ্যামলী ১ একর ৫৫ শতক জমি বিক্রির জন্য আমার সাথে বায়না চুক্তিপত্র করেন। এসময় প্রানেশের এই পাঁচ বোন আমার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা গ্রহন করেন। এরপর থেকেই প্রাণেশ ও তার চাচাতো ভাইরা আমার সাথে অহেতুক শত্রুতা করে আসছে। তখন থেকেই আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের ঘাটে-পথে,লোকজনের সামনে অপমান ও অপদস্ত ও হয়রানি করছে। তাদের বোনদের সাথে বায়না চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় প্রাণেশ সরকার জোড়পূর্বক ওই জমি দখলে নিয়েছে। আমাকে বায়না দলিলের টাকার বিষয়েও কোন ফয়সালা দেয়নি।

বরং আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন লোক দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি মুক্তিযোদ্ধা না এমন কথাও বলছে। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চারটি মামলাও দিয়েছে। যা আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার থেকে বাঁচতে আমি আদালতে মানহানী মামলাও করেছি, তারপরও প্রানেশ ও তার চাচাতো ভাইয়েরা আমাকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করছে। আমি এর থেকে রেহাই চাই।

Please follow and like us: