“ভাঙ্গা পুলে ঝুঁকি নিয়ে ৩ গ্রামের মানুষের পারাপার”

বাগেরহাট জেলার, মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটী ও রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বিষখালি খালের সংযোগ পুলটির ভগ্ন দশার কারনে শিক্ষার্থী সহ ৩ গ্রামের মানুষ পারাপারে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। জরাজীর্ণ এ পুলটি পুনঃনির্মানের দাবি থাকলেও তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

সরেজমিনে জানা গেছে, দুই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এ পুলটি ১০ বছর যাবৎ জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এ পুল দিয়ে দৈবজ্ঞহাটীর শাখারিকাঠি , খালকুলিয়া ও রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের মধ্য কচুবুনিয়া গ্রামের শত শত শিক্ষার্থী ও হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে। এ ঝুঁকিপূর্ণ পুল দিয়ে সেলিমাবাদ ডিগ্রী মহাবিদ্যালয় , দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ,দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। শিশু শিক্ষার্থীদের হাত ধরে কোলে নিয়ে এ পুল পারপার করতে হয়। আর এ কারনে প্রায়ই ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় বৃদ্ধ ও শিশুরা এ পুল দিয়ে যাতায়াত করতে পারেনা।

স্থানীয়রা জানান, দুই ইউনিয়নের কোন চেয়ারম্যান এ পুল নির্মান কিংবা সংস্কারের দায়িত্ব নেবে এ নিয়ে টানাপোড়নে পুলটি অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিবছর ইউনিয়ন পরিষদের নানা বরাদ্ধ থাকলেও এ পুলটির নির্মাণের কোন বরাদ্ধ হয়না।

রামচন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম জানান, গত বছরে তার পরিষদ থেকে স্বল্প বরাদ্ধে সংস্কার করা হয়েছিলো পুলটি। তবে, মরহুম সাবেক এমপি মহোদয়ের নির্দেশনায় পুলটি পুনঃনির্মানের জন্য পিআইও দপ্তর থেকে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

Please follow and like us: