“ধর্ষণের প্রতিবাদে শরণখোলা শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন”

ধর্ষণের প্রতিকার ও দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া তরান্বিত করতে স্বতন্ত্র তদন্ত সংস্থা এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনসহ দুটি সুপারিশ রেখে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বাগেরহাটের শরণখোলার শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এই স্মারকলিপির কপি হস্তান্তর করা হয়। এর আগে সকাল ১১টায় ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন তারা।

শরণখোলা প্রেসক্লাবের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বরিশাল বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ, খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের হৃদয় মৃধা ও সৌখিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ইলিয়াস হোসেন, বাগেরহাট সরকারি পিসি কলেজের সাকের ইসলাম এবং শরণখোলা সরকারি কলেজের আলভী। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের এই কর্মসূচীর সঙ্গে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তৃতা করেন শরণখোলা উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সাইফুল ইসলাম জীবন। কর্মসূচীতে বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

বক্তারা বলেন, বিচারে ধীরগতিই অস্বাভাবিক ধর্ষণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তাছাড়া, ধর্ষণকারীরা কোনো না কোনো দল বা প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় থাকার ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ স্বাক্ষী দিতে চায়না। ফলে মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ালেও উপযুক্ত স্বাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে তা খারিজ হয়ে যায়। এতে ধর্ষকরা আরো বেপরোয়া হয় এবং ধর্ষণের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই ধর্ষণের প্রতিকার ও প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে স্মারকলিপির মাধ্যমে আমরা সরকারের কাছে সুপারিশ দুটি উপস্থাপন করেছি। আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সুপারিশ দুটি আমলে নিয়ে এব্যাপারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

এব্যাপারে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, ধর্ষণের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে দুটি সুপারিশ সম্বলিত শিক্ষার্থীদের একটি স্মারকলিপি পেয়েছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হবে।

Please follow and like us: