শার্শার ডিহি গ্রামে ভয়ংকর অঘটনের অপচেষ্টা

ধর্ষন, লুটপাট, কিংবা খুন এর মত অঘটন ঘটানোর একটি ভয়ংকর ঘটনার অপচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অভিযোগ এসেছে যশোর জেলার শার্শা উপজেলার ডিহি গ্রাম থেকে। অভিযোগটি শার্শা থানায় দায়ের করেছে ভুক্তভোগি একজন নারী। তার নাম মিনু বেগম ( স্বামী ওবাইদুর রহমান) । অভিযোগে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা নাগাদ একই গ্রামের সাইয়ুল ইসলাম নামক এক যুবক ( পিতা ঃ সিরু মিয়া) ওই মহিলার বাড়িতে আসে। এসময় বাড়িতে তার কলেজ পড়–য়া কন্যা সোনিয়া খাতুনও ছিল। ওই যুবক সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নৃত্য-সঙ্গীত কর্মকান্ডে যুক্ত।

পুলিশে দায়ের করা অভিযোগে ওই নারী বলেন, অভিযুক্ত যুবক তাদের পুর্ব পরিচিত। সে একটি পত্র হাতে করে আসে। তার হাতে ছিল আর্সিকোলার একটি বোতল। সে বলল যশোর থেকে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন এসেছে। তাতে সোনিয়া খাতুন এর নাম দিতে হবে। উল্লেখ্য সোনিয়া খাতুনও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত। আলাপ আলোচনার এক পর্যায়ে ওই যুবক তাদের দুজনকেই অনেক পীড়া পিড়ি করে আর্সিকোলা খেতে বাধ্য করে। খাওয়ার পর পরই মেয়ে সোনিয়া খাতুন অচেতন হয়ে পড়ে। এবং অভিযোগকারী মিনু বেগম নিজেও অচেতন হয়ে পড়ার আশঙ্কায় দ্রæত ওই যুবকটিকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর দুজনেই অচেতন। একটানা দুদিন । এরপর প্রতিবেশীদের দ্বারা উদ্ধার। চেতনা ফিরলে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে আজ রোববার ১১ সেপ্টেম্বর।

অভিযোগকারীর বক্তব্য হলো উল্লেখিত বড় ধরনের কোন একটি অঘটন ঘটানোর লক্ষ ছিল ওই যুবকের। অভিযোগ পাওয়ার পর শার্শার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এজাজ মাহমুদ ঘটনার তদন্তে ওই গ্রামে গেছেন। এদিকে অভিযুক্ত যুবক ঘটনার দিন থেকেই পলাতক রয়েছে। তবে তার মোবাইল ফোনে মিনু বেগম আজ ফোন দিলে সে জানায় ওই আর্সিকোলার মধ্যে ঘুমের ট্যাবলেট মিশানো ছিল। এ্ই ঘটনার সরেজমিন খোজ খবর নেওয়ার সময় অভিযোগকারী এবং অভিযুক্তদের সাথে আলাপ করা হয়। তবে পলাতক ওই যুবক এর মাতা নাসিমা খাতুন বলেন আমার ছেলে বিবাহিত, এরকম কাজ সে করতে পারে না। আবুল কাশেম নামক গ্রামবাসীর একজন বলেন দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত যুবক এর মিনু বেগমের বাড়িতে যাতায়াত ছিল। তবে ওই দিন কি ঘটনা ঘটেছে সে সম্পর্কে কিছু বলতে পারব না।

Please follow and like us: