বেনাপোলে নাম পত্তনকৃত জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগ

বেনাপোল বড়আঁচড়া মৌজার ৫শতক জমি দখলের অপচেষ্টায় মিথ্যা মামলা, ওই জমির সীমানা পিলার তুলে জোর জবোরদস্তী করে নিজ আয়ত্বে নেয়ার পায়তারা করছে বলে  অভিযোগ করেছে আব্দুল মজিদ নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে তিনি বলেন দীর্ঘ ১৯৮০ সাল থেকে  প্রায় ৪০ বছর ওই জমি ভোগ দখল করে আসছে তার পরিবার।  সাবেক এমপি আলী কদর এর নিকট থেকে বড়আঁচড়া মৌজার  সাবেক ১৩৮ নং দাগ, বর্তমান দাগ নম্বর ৬৬০ এর ২.৮৩ শতক জমির মধ্যে ৭ শতক জমি আমার শাশুড়ী  আছিয়া বেগম বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যে পায়। আলি কদর ওই জমি যশোর আদালতের মাধ্যেমে স্বীকার করে কোর্টের মাধ্যেমে আছিয়া বেগম এর কাছে আর কোন দাবি দাওয়া নেই বলে  অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। এরপর আছিয়া বেগম ওই জমি ভোগ দখল করে আসছে।
বড়আঁচড়া মৌজার উল্লেখিত দাগ নম্বরের জমির কাগজপত্রে দেখা যায় আছিয়া খাতুন গত ১৪/০৫/২০০০ সালে তার মেয়ে পান্না খাতুন ( স্বামী আব্দুল মজিদ) গ্রাম বড়আঁচড়া, থানাঃ বেনাপোল কে  ৭ শতক জমির মধ্যে ৫ শতক জমি দলিল করে দেয়।বাকি দুই শতক জমি সরকারী রাস্তার মধ্যে যাওয়ায় তিনি জমি মেপে ৫ শতক মেয়েকে প্রদান করেন। সেই থেকে পান্না খাতুন ও তার স্বামী সন্তান সহ ওই জমিতে স্থায়ী ভাবে বসবাস করছে। এরপর পান্না খাতুন গত ১৯/১২/২০১৩ সালে তার নিজ সন্তান ফয়সাল হোসেন, শাহিন শেখ ও নেওয়াজ শরীফকে দলিল করে দেয়। যার নাম পত্তন ও ওই তিন ছেলের নামে হয়। এরপর থেকে ওই তিন সন্তানের পিতা আব্দুল মজিদ জমির খাজনা ও পরিশোধ করে আসছে। এছাড়া ওই জমি আদালত পুনরায় নামপত্তন করতে বললে আবারও আব্দুল মজিদ তার ছেলেদেও নামে নাম পত্তন করে।

সম্প্রতি  বড়আঁচড়া গ্রামের দুলাল বেনে, কৌশিক বেনে ও মিন্টু বেনে ওই জমি নিয়ে মামলা করে। এরপর শার্শার নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট (ভুমি) মোঃ খোরশেদ আলম বিষয়টি পর্যালোচনা করে আব্দুল মজিদ এর পুত্রদের ভোগ দখলের অনুমতি প্রদান করেন। এসব অমান্য করে উল্লেখিত দাবিদার ওই তিনজন জমির সীমানা পিলার উঠাইয়া ফেলে জমি থেকে সরে যাওয়ার হুমকি প্রদান করছে। এবং আবারও হয়রানির জন্য  মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বলে ভুক্তভোগি পরিবার অভিযোগ করেছে।
স্থানীয় একটি সুত্র জানায় আমরা সবাই জানি ওই জমির মালিক আব্দুল মজিদ এর পরিবার। সম্প্রতি একটি চক্র কিছু কুচক্রী মহলের ইন্ধনে পড়ে আব্দুল মজিদকে হয়রানি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

এ ব্যাপারে আব্দুল মজিদ সীমানা পিলার উঠানো ও হুমকি প্রদান করার জন্য বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। বেনাপোল পোর্ট থানার তদন্তকারী অফিসার এ এসআই মুরাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এ ব্যাপারে ঘটনা স্থলে যেয়ে তদন্ত করা হবে।

Please follow and like us: