জরুরী তথ্য সংগ্রহে বিজিবির বাঁধা পুলিশ ও সাংবাদিকদের

জরুরী তথ্য সংগ্রহ করতে বিজিবির বাধার মুখে সময় ক্ষেপন হচ্ছে সাংবাদিক ও পুলিশের। তবে একই পথে গমনকারী মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের যাতায়াতে কোন বাধা বা অনুমতি নিতে হচ্ছে না বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। আর সাংবাদিক ও পুলিশ এই বাধার সম্মুখিন হচ্ছে বেনাপোলের চোরাচালানীর বিখ্যাত পয়েন্ট বলে খ্যাত পুটখালীর মসজিদ বাড়ি বিজিবি পোষ্টে।

সীমান্তবর্তী এই গ্রামের চোরাচালানি পণ্য পাচার হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে জরুরী ভাবে ছবি তোলার কাজে বা সরেজমিন প্রতিবেদন তৈরী করতে ওই এলাকায় ছুটে গেলে বিলম্ব করতে হয় এই মসজিদ বাড়ি চেকপোষ্টে। সেখানে সাংবাদিকদের নাম ধাম সহ মোবাইল নাম্বার নিয়ে অনুমতি নিতে সময় লাগে বেশ কিছু সময়। সেই সময়ের মধ্যে পাচিং হয়ে যায় ভারত থেকে আসা চোরাচালানি পণ্য। অপরদিকে ওই রাস্তায় পুলিশ কোন ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি, কিংম্বা মারামারির মতো অথবা কোন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে জরুরী ভাবে গন্তব্য পৌছাতে সময় ক্ষেপন হয়।

সম্প্রতি এই চেকপোষ্টে দেখা গেছে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই রিয়েল হোসেন ওই পথে তার দয়িত্ব পালন করতে যেয়ে বিজিবির কাছে কৈফিয়ত তলব করছে। বিজিবি তাকে বলছে কেন যাবেন কি জন্য যাবেন ইত্যাদি। এ সম্পর্কে পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সুত্র বলেছে সীমান্ত এলাকায় অনেক ওয়ারেন্ট এর আসামি সহ নানান ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয় । এমনকি কেউ আতœহত্যার মত ঘটনা ঘটালে সেখানে লাশ আনতে বিএসএফ এর গুলিতে নিহত হলেও সেখানে পুলিশকে উপস্থিত হতে হয়।

মসজিদ বাড়ি চেকপোষ্টের নেমপ্লিড বিহীন একজন বিজিবি সদস্য বলে এ পথে পুলিশ ও সাংবাদিকদের যেতে গেলে অনুমতি নিতে হয় । তাকে প্রশ্ন করা হলো কয়েকটি মোটর সাইকেল গেল তাদের মধ্যে কেউ ফেনসিডিল সেবন ও ব্যবসা করে। ওদের অনুমতির প্রয়োজন হয় না কেন। বিজিবি সদস্য বলে আমাদের নির্দেশ আছে পুলিশ আর সাংবাদিক যেতে গেলে তাদের অনুমতি নিতে হবে।

এ সম্পর্কে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান বলেন হ্যাঁ পুটখালী সীমান্তে প্রবেশ করলে পুলিশকে সেখানে অনুমতি নিতে হয়।

Please follow and like us: