নাভারন বঙ্গবন্ধু পাঠশালার কার্যালয় দখল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের

গত শনিবার ৩১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টার দিকে শার্শা উপজেলার নাভারন এর সাতক্ষীরা মোড়স্থ জনৈক মোস্তাফিজুর রহমান এর বানিজ্যিক ভবনে হাইব্রিড নেতা কর্মীদের যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানো হয়েছিল তার প্রেক্ষাপটে ওই ভবন মালিক সংক্ষুব্ধ হয়ে আজ সোমবার একটি সাধারন ডায়েরী ( জিডি) করেছেন। এই ডায়েরীতে তিনি জনৈক সোহরাব হোসেন (পিতা আব্দুল সোবহান) আমিনুর রহমান ও জাকির হোসেন ( উভয় পিতা,শাহদাত হোসেন) সর্ব সাং উত্তর বুরুজবাগান, আব্দুর রহিম সরদার ( পিতা আজিজ সরদার সাং দক্ষিন বুরুজ বাগান) সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে আসামি করেছেন ।

উল্লেখ্য যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন উল্লেখিত মোস্তাফিজুর রহমান এর বানিজ্যিক ভবনের একটি অংশ শার্শা আওয়ামীলীগ শাখার বঙ্গবন্ধু পাঠশালার জন্য ভাড়া নিয়েছিলেন। মাসিক ১২ হাজার টাকার ভাড়ায় ২ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়ে তিন শত টাকার ষ্ট্যাম্প এর ওপর চুক্তিপত্র করেছিলেন। এবং রাজ মিস্ত্রি, রং মিস্ত্রি দিয়ে ওই কার্যালয়টি ঘষা মাজা তথা সংস্কারের কাজ করছিলেন। কিন্তু ঘটনার দিন উল্লেখিত আসামিরা ভবন মালিক মোস্তাফিজুর রহমানকে জিম্মি করে ফেলে । অভিযোগে তিনি বলেন আসামিরা তাকে জোর পুর্বক জিম্মি করে ৩ শত টাকার একটি ষ্ট্যাম্পে ২০ হাজার টাকার মাসিক ভাড়ায় ৪ লাখ টাকার অগ্রিমে ২লাখ টাকার নগদ প্রদানে জোর পুর্বক স্বাক্ষর করিযে নেয় নাভারন চেম্বার অব কমার্স চালুর কথা বলে। এই ঘটনার সাক্ষি হচ্ছেন আলমগির হোসেন ( পিতা হারুন অর রশিদ) মাহবুব হোসেন ( পিতা অজ্ঞাত ) উভয় সাং কলাগাছি , ঝিকরগাছা যশোর।

এদিকে এই জিডির ঘটনার প্রেক্ষাপটে ওই এলাকায় সরেজমিন গিয়ে যা জানা গেল তা হচ্ছে আশরাফুল আলম লিটন এর প্রতিপক্ষ একটি হাইব্রিড আওয়ামীলীগ চক্র। সেখান থেকে তার রাজনৈতিক অবস্থান সরিয়ে দেওয়ার হীন উদ্দেশ্যই এই চেম্বার স্থাপন নাটক এর অপচেষ্টা করেছে।

Please follow and like us: