চন্দন কাঠের নেপথ্যে বিদ্যুৎ মেম্বর।। বেনাপোল সীমান্তে চোরাচালানের মচ্ছব

ভারত থেকে আসা থেমে নেই চোরাচালানি পণ্য। ফেনসিডিল, মদ, গাজা সহ অন্যান্য মাদক দ্রব্যর পাশাপাশি আসছে ভারতীয় চন্দন কাঠ, চা পাতা. ঔষধ, শাড়ি, থ্রিপিছ, কসমেটিক্স জাতিয় পণ্য: আবার এসব পণ্যর পাশাপাশি আসছে বা এসব পণ্যর মধ্যে ঢুকিয়ে আনা হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র বা বিস্ফোরক দ্রব্য। গত মঙ্গলবার এসব পন্যের মধ্যে চন্দন কাঠের একটি বড় চালান আটক করেছে বিজিবি। এই কাঠের মুল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। আর এই কাঠ পাচারের আসল মালিক কে এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। তবে রহস্য উদঘাটন হতে পারে ওই কাভার্ড ভ্যান (মেট্রো-১৪-০৫৭৩) এর মালিক বা তার চালককে আটক করলে।

এদিকে এই চালানের নেপথ্য কে রয়েছে সে ব্যাপারে একাধিক লোকের নাম বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। এসব অনুমান থেকে ধারনা করে নাভরন এর বিদ্যুৎ মেম্বারকে ফোন করলে সে জানায় যে আমি শাড়ি থ্রিপিছ, কসমেটিক্স চা পাতা এসব এর চোরাচালান করি। চন্দন কাঠ এসব আমি আমি না। এগুলো আনে বারোপোতা গ্রামের জনৈক ব্যাক্তি। আমি এগুলো বলেছি তার নাম বললে আমাকে খুন করে ফেলবে।
এরই পাশাপাশি আরো যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের একজন হচ্ছে সীমান্ত এলাকার ঘাটমালিক। তার নামও উল্লেখিত ব্যাক্তি বলতে ভয় পায়। কিন্তু নির্ভরযোগ্য অসমর্থিত একাধিক সুত্র বলছে ওই বিদ্যুৎ মেম্বারই এই চন্দন কাঠের চোরাচালানে জড়িত। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত তথ্যও উদঘাটিত হতে পারে।

এদিকে গোটা বেনাপোল এর সীমান্ত বেনাপোল এর সীমান্ত জুড়ে সাম্প্রতিক কালে অবৈধ পণ্য চোরাচালানে মচ্ছব চলছে। এর প্রমান বিজিবি সহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এমন কোন দিন নেই যে কম বেশী গাজা ফেনসিডিল মদ ইত্যাদি আটক হচ্ছে না। এই তো আজ গোড়পাড়া পুলিশ ৩০ কেজি গাজা সহ মুজিবুর রহমান নামে একজন চোরাচালানিকে আটক করেছে। রঘুনাথপুর বিজিবি পরিত্যাক্ত অবস্থায় আজ সাড়ে ১০ কেজি গাজা উদ্ধার করেছে। এছাড়া বাগআচড়া পুলিশ ৭৫ পিছ ফেনসিডিল সহ খাদিজা ও মিনি নামে দুইজন নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

উল্লেখিত আটক চন্দন কাঠ সহ কাভার্ড ভ্যানটি বেনাপোল কাস্টমস হাউজের আটক শাখায় জমা করেছে বিজিবি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবির বেনাপোল ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার শহিদুল ইসলাম।

Please follow and like us: