নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের চায়ের দোকানে ১৩ হাজার টাকা বাকি।। টাকা চাওয়ায় দোকান ভাংচুর

ক্ষমতার অপব্যবহার করে সেবা মুলক কাজে নিয়োজিত জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন হীনমন্যতার কাজ করছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এমনি একজন চেয়ারম্যান শার্শার নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। চা- পান দোকান, পরিষদের গাছ বিক্রি, সরকারী নদীর বালি উত্তোলন করে বিক্রি, টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়া, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসুচির টাকা আতœসাত সহ একাধিক অভিযোগ ্উঠেছে এই চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে। পাওনা টাকা চাওয়ায় নিজ হাতে চায়ের দোকান ভেঙ্গে দিয়েছে বলে দোকানদার অভিযোগ করেছে।

নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর সামনে আজিজুল হক নামে একজন চা- পানের দোকানদার অভিযোগ করে বলেন গত ১১ মাসে চায়ের বিল বাবদ চেয়ারম্যান কালাম এর কাছে সে ১১৩৮৮ টাকা পাবে। তার দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় সে চেয়ারম্যান এর নিকট চায়ের টাকা চায়। চেয়ারম্যান টাকা না দিয়ে তাকে ঘোরা ঘুরি করতে থাকে। এরপর গত বুধবার চেয়ারম্যান আবার দোকানে চা নিতে পাঠালে আমি চৌকিদারকে বলি আগে টাকা দিতে বলেন পরে চা দিব। এতে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে আমার দোকানে এসে নিজ হাতে দোকান ভেঙ্গে ফেলে। আমার দোকানের চা, পান. সিগারেট, বিস্কুট, কলা সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী তিনি ছুড়ে ফেলেন।

এব্যাপারে অত্র পরিষদ এর প্রত্যক্ষদর্শী মেম্বর আমিনুর রহমান বলেন, আমার সামনে চেয়ারম্যান আজিজুল এর দোকান ভেঙ্গে ফেলে।আমাদের ক্ষমতা সীমিত। আমাদের করার কিছু নেউ।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি দোকান ভাংগি নাই। সে নিজে চলে গেছে। আর আমি তাকে ওই সময় ৬ হাজার টাকা চায়ের দাম সহ আরো অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিয়েছি। আমি মোট ১২ হাজার টাকা তাকে দিয়েছি। এই দুই হাজার কিসের টাকা জানতে চাইলে তিনি কোন সদত্তুর দিতে পারে নাই। তবে এলাকার কিছু লোক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন এই দুই হাজার টাকা দোকান ভাংগার টাকা।

এলাকার স্থানীয় জনগন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন কালাম একজন হীন মানসিকতার লোক। সে এর আগে পরিষদের একটি গাছ বিক্রি করেছে। এরপর সে নদী থেকে বালি উত্তোলন করে বিক্রি করা সহ একাধিক লোকের পাওনা টাকা নিয়ে ঘোরাঘুরি করে।

ডিহি ইউনিয়ন এর একজন আওয়ামী নেতা বলেন আবুল কালাম একজন বাটপর লোক। আমি তার কাছে ২০ হাজার টাকা পাব অনেকদিন যাবত সে টাকা দেয়না। এছাড়া নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের ওই চায়ের দোকানদার একাধিক বার আমার সামনেও টাকা চেয়েছে চেয়ারম্যানের নিকট।

Please follow and like us:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here