বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ একজন প্রকৌশলীর হাতে জিম্মি

বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ( বাস্থবক) এর প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই একজন সহকারী প্রকৌশলী পদে নিযুক্ত হওয়া ব্যক্তিটি আজ এই প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী। শুরু থেকেই এই লোকটি দুর্নীতি নির্ভর এক দুবৃত্ত ব্যক্তি। আর এই লোকটির হাতে যাত্রা লগ্ন থেকেই অদ্যবধি প্রতিষ্ঠানটি জিম্মি হয়ে রয়েছে। বাস্থবক এর যখন যে চেয়ারম্যান, পরিচালক বা অন্যান্য দায়িত্বশীল পদে যারা আসেন তারা অদৃশ্য নাটাইয়ের টানে দ্রুত এই লোকটির পকেটে ঢুকে পড়ে। এই লোকটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, লুটপাট ইত্যকার নানাবিধ অপকর্মের বস্তা ক্রমাগত বড় হচ্ছে।

গুনধর হাসান আলী নামক এই ব্যক্তিটি বাস্থবক এর অধীন দেশের ২২ টি স্থল বন্দরে অবকাঠামোগত নির্মান কাজ সহ সকল রকমের উন্নয়ন কর্মকান্ড অদৃশ্য হাতে নিয়ন্ত্রন করেন। তাকে উপঢৌকন না দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের কোন রকম উন্নয়ন কর্মকান্ড কিংবা ঠিকাদারী সরবরাহ ইত্যকার কোন কর্মকান্ডই কারো পক্ষে করা সম্ভব হয় না। এই লোকটির হীন কর্মকান্ড এতই সীমাহীন যে, বেনাপোল স্থল বন্দরের আবাসিক এলাকার মসজিদ নির্মানের ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার অর্ধেকটাই লুটপাট হয়েছে।

বেনাপোল স্থল বন্দরে আজ যে আন্তর্জাতিক প্যাচেঞ্জার টার্মিনাল সেটি নির্মানেও বড় ধরনের অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে এই ব্যক্তিটির দ্বারাই। নতুন করে এই বন্দরের ১ ও ২ নম্বর পণ্যগার বা শেড নির্মানে বড় ধরনের কারচুপি হয়েছে। এসব অভিযোগ সম্পর্কে প্রকৌশলী হাসান আলীর মোবাইল ফোনে ফোন দিলে তিনি জানান, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে প্যাচেঞ্জার টার্মিনাল সহ বেনাপোল বন্দরে বেশ কিছু অবকাঠামো নির্মান এর কাজ নিয়ম মাফিকই হয়েছে। তবে কোন রকম অনিয়মের তথ্য আপনাদের কাছে থাকলে তা অবশ্যই লিখবেন।

Please follow and like us: