মানব পাচারের অভিযোগে ঢাকার সিআইডির হাতে বেনাপোলের তিন জন আটক

মানব পাচারের অভিযোগে আটক তিন ব্যক্তিকে আজ বুধবার গোয়েন্দা পুলিশ বেনাপোল পোর্ট  থানায় নিয়ে আসে । এই তিন ব্যাক্তিকে সম্প্রতি পুলিশ পর্যায়ক্রমে আটক করেছে। এরা হলো বেনাপোল পোর্ট থানার রায়পুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৪) ধাণ্যখোলা গ্রামের শাহিন আলী (২৬) ও ঝিকরগাছা থানার সুনিল ঘোষের ছেলে বিপ্লব ঘোষ (৩১)।

সুত্র মতে উল্লেখিত আসামী ত্রয় ঢাকা থেকে অবৈধ পথে ভারতে  যাওয়ার উদ্দেশ্য আসা দুই নারীকে বেনাপোলের পুটখালী এলাকার একটি জায়গায় ধর্ষনও করে। ধর্ষিতা নারীদ্বয় ভারতে প্রবেশ করতে না পেরে ঢাকায় ফিরে  পুলিশের কাছে ধর্ষন তথা পাচার এর অভিযোগ করে। সেই মোতাবেক উল্লেখিত তিন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেনাপোলের রায়পুর গ্রাম থেকে রফিকুল ইসলামকে, একই দিন বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রাম থেকে শাহিন আলীকে  ঝিকরগাছা বারাকপুর গ্রাম  থেকে বুধবার সকালে বেনাপোল চেকপোষ্টের  দিপ এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার  বিপ্লব ঘোষকে ঢাকা সিআইডি পুলিশ আটক করে। ঢাকার সিআইডি পুলিশ আটকের পর  তাদের বিষয়ে খোজ খবর নেয়ার জন্যেই বেনাপোল থানায় নিয়ে আসে।

বেনাপোল পোর্ট থানার দায়িত্বরত  এ এসআই মুরাদ হোসেন বলেন, এই আসামিদের সম্পর্কে আমরা সুনিশ্চিত কিছু জানি না । তবে সম্ভবত এটা পাচার অভিযোগ হতে পারে। পোর্ট থানার ওসি মামুন খান বলেন এই বিষয়টি সম্পর্কে আমিও নিশ্চিত নই। বিস্তারিত জানেন ঢাকার সিআইডি।

নির্ভরযোগ্য একটি অসমর্থিত সুত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে বেনাপোল চেকপোষ্টের সাদিপুর রোডে অবস্থিত দিপ এন্টারপ্রাইজ নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যেমে উল্লেখিত অভিযোগকারী নারীদ্বয়কে সীমান্ত পার করার অপচ্ষ্টো করা হচ্ছিল।  এ প্রসঙ্গে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সত্বাধিকারী দিপ নারায়ন জানান, যতদুর জেনেছি উল্লেখিত রফিকুল মেয়ে দুটোকে এনেছিল । সেই আমার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বিপ্লব ঘোষ এর নাম পুলিশের কাছে উলেল্লখ করেছে। তবে এটা পাচার ও ধর্ষন দুটো হতে পারে।

জানা গেছে বেনাপোল পোর্ট থানায় এনে খোজ খবর নেয়ার পর আজ বিকাল ৫ টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে আসামি ত্রয়কে যশোর এর দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

Please follow and like us: