শৈলকুপায় ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম শুরু  বদলে গেছে শহরের চিরচেনা রুপ

২’শ বছরের পুরাতন শৈলকুপা শহরে অবশেষে চালু হলো ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম। পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলামের নির্দেশে এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। শত শত বছর ধরে কুমার নদের পাশে গড়ে ওঠা শৈলকুপা উপজেলা একটি অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। লাঙ্গলবাধ, শেখপাড়া, হাটফাজিলপুর ও ভাটই বাজার এই উপজেলার পুরাতন ব্যবসা কেন্দ্র। উপজেলাটি ৪টি জেলা কুষ্টিয়া, রাজবাড়ি, মাগুরা ও ঝিনাইদহের সঙ্গে সীমানা সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত। এখানে রয়েছে স্থল ও নদীপথ। অপরাধপ্রবণ হিসাবেও এ উপজেলার রয়েছে নানা সমালোচনা। সহিংসতা, হানাহানি, হত্যা-আত্মহত্যা যেন নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার। এ উপজেলার বড় একটি অংশ নিয়ে গঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু শৈলকুপা উপজেলায় কোন ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম ছিল না। চলতি মাসের ৮অক্টোবর থেকে উপজেলাটিতে শুরু হয়েছে ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম। এখানে একজন টিআই, একজন সার্জেন্ট ও ২জন কনস্টবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরা হলেন টিআই ইসমাইল হোসেন, সার্জেন্ট কনক হালদার, কনস্টবল নুরুল ইসলাম ও কনস্টবল শয়ন মিত্র। ট্রাফিক টিম খুলনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের শৈলকুপার ভাটইবাজার, শৈলকুপা-গাড়াগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের গাড়াগঞ্জ এবং শৈলকুপা উপজেলা শহরের কবিরপুর তিন রাস্তার মোড় ও চার রাস্তার মোড়ে দায়িত্ব পালন করবেন। দুজন কনস্টবল কবিরপুর ও চৌরাস্তা মোড়ে পালাক্রমে ডিউটি করবেন। নিয়োগপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইনেস্পক্টর(টিআই) ইসমাইল হোসেন জানান, প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন যেমন ইজিবাইক, সিএনজি, নসিমন, করিমন, ভটভটি, আলমসাধু, নাটাহাম্বাসহ যাদের আঞ্চলিক মহাসড়ক-মহাসড়কে চলাচলের অনুমোতি নেই সেসব চালকদেরকে সচেতন করা হচ্ছে। উপজেলার চৌরাস্তা ও কবিরপুরে চিরচেনা যানজট এখন আর চোখে পড়ছে না। কবিরপুর তিন রাস্তার মোড়ের স্থানীয় ব্যবসায়ী শুশান্ত কুমার সাহা জানান, স্থায়ী ট্রাফিক দেয়ায় যানজট ও দুর্ঘটনা কমে আসতে পারে । একটি বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সুজন বিশ্বাস জানান, প্রতিদিন বাস-ট্রাক সহ অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে কিন্তু ট্রাফিক কার্যক্রম না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছিল যড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
Please follow and like us: