শৈলকুপায় জমি আছে ঘর নাই প্রকল্প হতদরিদ্রদের মাঝে নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন

সাবানা খাতুনকে বিয়ে করে স্বামী রাব্বি ইসলাম ঘরজামাই থাকতেন শৈলকুপার বিজুলিয়া গ্রামে। কারণ তার বাড়ি হিতামপুর গ্রামে এক টুকরো জমি থাকলেও ঘর ছিল না। ঘর করার মতো সামর্থও তার নেই। হতদরিদ্র রাব্বি ইসলাম জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের আওতায় একটি বাড়ি পাচ্ছে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে নিজের বাড়িতে এবার বসবাস করতে পারবেন। স্ত্রী সাবানা খাতুন নিজের দালান ঘর হচ্ছে এই ভেবে পুলকিত। শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের বদন্যতায় হিতামপুর গ্রামে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে পারবে। সাবানা-রাব্বি দম্পত্তির মতো শৈলকুপায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের অধীন ৩৭টি পরিবার ঘর পাচ্ছে। এতে সরকারের ব্যায় হচ্ছে ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। শৈলকুপার মনোহরপুর, নাকোল, দিগনগর ও কাঁচেরকোলসহ বিভিন্ন এলাকায় হতদরিদ্রদের জন্য নির্মিত স্বপ্নের বাড়ি নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছে। সুত্র জানায়, প্রতিটা ঘর তৈরী করতে ১ লাখ ২০ হাজার ব্যায় ধরা হয়েছে। ১৫% ভ্যাট কেটে যা থাকে তাই প্রাক্কলিত ব্যায়। সেই টাকা দিয়ে সুচারু করে নির্মিত হচ্ছে গরীবের ঘর। শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, সাংবাদিকদের নিয়ে জমি আছে, ঘর নাই প্রকল্পের চলমান কাজ পরিদর্শন করে আমি খুবই সন্তষ্ট। প্রতিটি ঘর মূল ডিজাইন ঠিক রেখে উন্নতমানের ইট, বালি, সিমেন্ট ও ৪৬ মিলি রঙ্গিন টিন দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি চেষ্ঠা করেছি, এই টাকার মধ্যে কাজের গুনগত মান ঠিক রেখে ভাল একটা ঘর উপকারভোগীদেরকে উপহার দেয়া। তিনি জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমি বাধার সম্মুখিন হচ্ছি। অবাধ তথ্য প্রবাহের সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ ফেসবুক ও অনলাইনে মিথ্যাচার করছে। তারা কাজের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তারপরও বলবো এক্ষেত্রে আমি সফল। শৈলকুপাবাসি ও এখানকার সংবাদকর্মীরা আমার সাথে আছে। তিনি মনে করেন, সমাজে কিছু মানুষ আছে, যারা পরনিন্দা বা অন্যের সমালোচনা করে নিজেকে মহান মনে করে। যেখানে কোন ছিদ্র নেই, সেখানে ছিদ্র বের করাই হলো তাদের কাজ। এসবকে আমি আর্শিবাদ বলে মনে করছি।
Please follow and like us: