কুষ্টিয়ায় ট্রাক-এ্যাম্বুলেন্স মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতদের দাফন সম্পন্ন

কুষ্টিয়া  লক্ষীপুরে  ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত পাঁচ এ্যাম্বুলেন্স যাত্রীর লাশ দাফন করা হয়েছে। নিহত চার জনের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভাধীন মশাঘুনী ও দাসেরডাঙ্গা গ্রামে। এদের মধ‍্যে একজনের বাড়ি যশোরে।
সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, এ্যাম্বুলেন্স চালক দাসেরডাঙ্গা গ্রামের মৃত শফিউদ্দিন মোল্যার ছেলে টিপু মোল্যা(৪০), লোহাগড়া তেল পাম্প এলাকার গ্যারেজ মিস্ত্রী মশাঘুনী গ্রামের আব্দুল ছত্তার হাওলাদারের ছেলে মফিজুর রহমান (৪৩), স্ত্রী নাদিয়া আরোবী(৩৮) ছোট ছেলে ইফাদ ওরফে রিফাত রহমান (১৬) ও মফিজুরের শ্যালক আলিম শেখ (৩৪)। এ সময় আহত অপর শ্যালক ইনছান (৩৫)কে গুরম্নতর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার মফিজুর রহমান নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্সসহ চালক টিপু মোল্যাকে সাথে নিয়ে মানষিক ভারসাম্যহীন স্ত্রী নাদিয়া আরোবী কে পাবনা মানসিক হাসপাতালে আনতে যান। সেখান থেকে দুপুরে নাদিয়াকে নিয়ে এ্যাম্বুলেন্স যোগে লোহাগড়ায় ফেরার পথে ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ সময় এ্যাম্বুলেন্সে থাকা ৫জন যাত্রী নিহত হয়।
বুধবার(৪ নভেম্বর) ভোরে লোহাগড়ার লক্ষীপাশাস্থ আল মারকাজুল মসজিদ চত্বরে নিহত গ্যারেজ মিস্ত্রি মফিজুর রহমান ও সকাল ১০ টায় রামপুর দরগায় মোঃ টিপু মোল্যার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা শেষে নিহত টিপুকে লক্ষীপাশা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। অপর দিকে মফিজুর, নাদিয়া আরোবী, ইফাদ ও আলিম শেখের নামাজে জানাজা যশোরের কাজীপাড়ায় (মফিজুরের শ্যালকের পৈত্রিক বাড়ি) সম্পন্ন হয়েছে। পরে তাদেরকে যশোরের কারবালা কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় লোহাগড়ার মানুষজন শোকে মূহ্যমান হয়ে পড়েছেন। জানাজায় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।
Please follow and like us: