নড়াইল জেলা পরিষদের মহিলা সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে গণধোলাই

নড়াইল জেলা পরিষদের মহিলা সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তার দেওয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে গণধোলাই

-নড়াইল প্রতিনিধিঃ-
নড়াইল জেলা পরিষদের এক মহিলা সদস্যকে কুপ্রস্তার দেওয়ায় নয়ন বিশ্বাস (২৫) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী। বুধবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলার লোহাগড়া পৌরসভার কুন্দসী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নয়ন বিশ্বাস কুন্দসী গ্রামের সন্তোষ বিশ্বাসের ছেলে। ভুক্তভোগী ওই নারী একই প্রামের বাসীন্দা এবং নড়াইল জেলা পরিষদের সদস্য।
জানা যায়, নয়ন বিশ্বাস সদ্য ঘোষিত লোহাগড়া পৌর ছাত্রলীগের (বর্তমানে কেন্দ্রীয় নির্দেশে স্থগিত হওয়া কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক) ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক পদে রয়েছে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য জানান, নয়ন জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ফুটবল চাইতে আমার বাড়িতে আসে। তখন আমি নয়নকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে বলি। সে আমাকে বলে আপনার সাথে আমার আরো কিছু কথা আছে। আমি তাকে বলতে বলি। সে বলে গোপনীয় কথা সবার সামনে বলা যাবে না। তখন আমি রাগ করে তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলি। সে তখন চলে যায়। পরে সে আমাকে মুঠোফোন একান্তে সময় কাটানোর প্রস্তার দেয়। একপর্যায়ে নয়নকে ডেকে আনা হয় কেন সে আজেবাজে প্রস্তাব দিয়েছে তা জানার জন্যে। এসময় এলাকাবাসী তার জঘন্য কাজের জন্য তাকে গণধোলাই দেয় ও তার স্বীকারোক্তি ভিডিও আকারে ধারণ করে। পরে তার পরিবারের লোকজন এসে তাকে নিয়ে যায়।
এদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে নয়ন বলেন, আমাকে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। আমার কোন দোষ নেই। আমার এখন আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, তবে আমার বিরুদ্বে আনা অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা । পরে কথা হবে বলেই ফোন রেখে দেন তিনি।
অন্যদিকে ছাত্রলীগ নেতা নয়নকে গণধোলাই দেওয়া দুইটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল ওই ভিডিওর একটিতে দেখা যায় নয়ন নিজে মুখেই তার দোষের কথা স্বীকার করছেন। এ ঘটনা নিয়ে স্থানীয়দে মাঝে ব্যাপক সমালোচনা ঝড় বইছে।

Leave a Reply