সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে আউটসোসিং কমচারীদের রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবীতে মানববন্ধন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : বকেয়া বেতন ও বোনাসসহ বকেয়া কর্তনকৃত টাকা ফেরৎ ও ৬ বছর যাবৎ কর্মরত এম.এল.এস.এস অফিস সহায়ক কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবীতে মানববন্ধন করেছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আউটসোর্সিং কর্মচারীবৃন্দ।
সোমবার, বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আউটসোর্সিং কর্মচারীবৃন্দের আয়োজনে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের কর্মচারী কল্যাণ কমিটির সভাপতি ইলমুল হক সজীব’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাইম হাসানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের কর্মচারী কল্যাণ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী মামুন হোসেন, কার্যকরী সদস্য শাহানারা পারভীন, আমেনা খাতুন, মহিবুল্লাহ, মনিরুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম ও আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা দীর্ঘ ৬ বছর যাবৎ কর্মরত কর্মচারী রাজস্ব খাতে যাওয়ার জন্য ও বকেয়া বেতন পরিশোধ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের জোর দাবী। আমরা কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মচারীবৃন্দ গত ১৫/০১/২০১৪ সাল হতে ২২/০২/২০১৪ সালে নিয়োগ সম্পাদনের মাধ্যমে আজ পর্যন্ত আমরা ৪৬ জন কর্মরত আছি। এ পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন সমস্যার মোকাবেলা করে আসছি। নিয়োগ বাণিজ্যর জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্মচারী ছাটাই, প্রতি মাসের বেতন প্রতি মাসে পরিশোধ না করে পরিশোধের সময় টাকা কর্তন। ব্যাংক হিসাবে টাকা পরিশোধ না করে বেতন হাতে পরিশোধের সময় মূল বেতন পরিশোধের সময় মূল বেতন হতে পে-স্কেল শুরু হওয়া থেকে অধ্য পর্যন্ত প্রতি মাসে বেতন থেকে ৫০০০ টাকা কর্তন করে আসছে।
এ বিষয়ে আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদেরকে চাকুরী থেকে কর্মচ্যুত করার হুমকিসহ ভয়-ভীতির মধ্য দিয়ে আমরা সুষ্ঠভাবে কার্য সম্পাদন করে আসছি।
২০১৪ সাল হতে অদ্য পর্যন্ত ৫ থেকে ৮ মাসের বেতন বকেয়া রেখে বেতন প্রদাণের সময় অতিরিক্ত টাকা কর্তন করে নেয়। প্রতি মাসের বেতন প্রতি মাসে না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে আমরা ধার দেনাতে দূর্বিসহ জীবন যাপন করে আমাদের পরিবার আজ অসহায় হয়ে পড়েছে। আমাদের ৪৬টি পরিবারকে মানবতার জীবন যাপন থেকে বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আউটসোর্সিং কর্মচারীবৃন্দ। এসময় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের কর্মচারী কল্যাণ কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

Please follow and like us: