সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাচন বাঁধাগ্রস্থ করার অপচেষ্টা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বাধীন কমিটি আদালতের আদেশের কার্যক্রম পরিচালনা করছে

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাচন প্রস্তুুতি, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ সহ সাধারন সদস্যদের মাঝে যখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে, তখন প্রেসক্লাবকে বরাবরই কুক্ষিগত করার সাথে সংশ্লিষ্টরা আবারও পূর্বের অবস্থানে নিতে অনৈতিক প্রচেষ্টা করছে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব জেলার বিশ লক্ষাধিক মানুষের আস্থার প্রতিক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত সাংবাদিকদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সোচ্চার সাধারণ সদস্যরা। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নিয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের যুগান্তকারী, প্রশংসিত আদেশ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবকে গতিশীল, গণতান্ত্রিক পরিবেশ সমুন্নত রাখা, প্রকৃত সাংবাদিকদের (যাচাই বাছাই) নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত যে আদেশ দেন উক্ত আদেশ প্রেসক্লাব এর সদস্যদের মাঝে আশার সঞ্চার করলেও আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করলে হাইকোট জেলা ও দায়রা জজের আদেশ স্থগিত করে। পরবর্তিতে উক্ত আদেশ আপিল বিভাগের চেম্বার জজ স্থগিত করে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজের আদেশ আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বহাল রাখে। বিধায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা ও সদস্য যাচাই বাছাই কমিটির কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্র নিশ্চিত হয়। ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশনায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বাধীন কমিটি সদস্য যাচাই বাছাই কার্যক্রম শুরু করেছে। খসড়া ভোটার তালিকাও প্রকাশ করেছে। দৃশ্যতঃ প্রেসক্লাব কে যুগ যুগ ধরে চক্রান্তের বেঁড়া জালের আটকিয়ে ছিল। আদালতের আদেশে

আজ কুক্ষিগত মুক্ত এবং মহল বিশেষের ষড়যন্ত্রের কবল হতে রক্ষা পাওয়ার পথে হাটছে। সাধারণ সদস্যরা ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশনায় কার্যক্রমরত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা এবং গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করায় সহযোগিতা করছে। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার কমিটির অপরাপর সদস্যরা নিজেদের ইচ্ছায় নয়, আদালতের আদেশে প্রেসক্লাবের নির্বাচন এবং সদস্য যাচাই বাছাই কমিটির দায়িত্ব পালন করছে। যে মহলটি প্রেসক্লাবটিকে নিজের সম্পত্তি মনে করে, কুক্ষিগত করার অপপ্রয়াস চালিয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। সাংবাদিকতার নামে, প্রেসক্লাবের নামে সর্বপরি প্রেসক্লাবকে প্রশাসন সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে,একই সাথে প্রশাসনকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করার ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। খসড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত সাংবাদিকদেরকেও অসাংবাদিক এবং তাদের বিরুদ্ধে গতকাল বিষোদগার করা হয়েছে, যারা বিষোদগার করেছে তারাই কি কেবল সাংবাদিক? যারা বিষোদগার করেছে তাদের মধ্যে কেউ কেউ নানা ধরনের সমাজ বিরোধী, আইন বিরোধী কর্মকান্ডে যেমন লিপ্ত অনুরূপ অতীত ও বর্তমানে মামলার আসামী, কারাগারের অন্তরীন থাকা, মানিলন্ডারিং সহ অপরাধে জড়িত, কাচের ঘরে অবস্থান করে ঢিল ছুড়লে সেই ঢিলের গন্তব্য এবং ফলাফল কতটুকু তা সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুভব করা সমিচীন নয় কি? সাতক্ষীরার মানুষ তথা সাংবাদিকরা ভাল ভাবেই অবগত সাংবাদিকতার আড়ালে কে কার অতীত এবং বর্তমানকে লুকায়িত করার অপচেষ্টা করে চলেছে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের খসড়া ভোটার তালিকায় স্বাক্ষরকারি এবং বিষদাগারকারী গতকাল আদালতের আদেশের কমিটির সদস্য এবং খসড়া ভোটার তালিকায় তিনি স্বাক্ষর করেছেন। বিষদাগারকারিদের অনেকেই আদালতের আদেশের সাত সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটির কাছে সদস্য পদ লাভে আবেদন করেছেন। সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন পরিচালনা ও সদস্য যাচাই বাছাই কমিটির প্রতি পূর্ণ আস্থা সাধারণ সদস্যদের আছে। উক্ত কমিটির কার্যক্রমের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার নামান্তর আদালতের আদেশের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া ধৃষ্টার সামিল প্রকৃত সাংবাদিকরা আদালতের প্রতি সম্মান প্রদর্শণ করে ।

[sc name=”fb_page” ]

Leave a Reply