সাতক্ষীরা শহরের এক বেকারীতে চাঁদাবাজি করার সময় দুই চাঁদাবাজ আটক, পলাতক-২

সাতক্ষীরা শহরের এক বেকারীতে চাঁদাবাজি করার সময় দুই চাঁদাবাজ আটক, পলাতক-২

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা শহরের এক বেকারীতে চাঁদাবাজি করার সময় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী দুই চাঁদাবাজকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের ইটাগাছা এলাকার শাহিনুর বেকারী থেকে তাদের হাতে নাতে আটক করা হয়। এ সময় পালিয়ে যায় চাঁদাবাজ গ্রপের হোতা আব্দুল হাকিম ও পলাশ নামের আরো দুই জন।
আটককৃতরা হলেন, শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে মামুন হোসেন (৩০) ও সদর উপজেলা বাঁকাল এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে মাজহারুল ইসলাম (২৮)। বেকারি মালিক আব্দুল খালেক জানান, সাংবাদিক পরিচয়দানকারী হাকিমের নেতৃত্বে ৫/৭ জনের একটি গ্রæপ তার বেকারীতে চাঁদাবাজি করতে আসে। তারা বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে বলে হুমকি ধামকি দিতে থাকে এবং তারা ২০ হাজার চাঁদা দাবী করে। তা না হলে ভ্রাম্যমান আদালতে তাকে জরিমানা করা হবে বলে হুমকি দেয়। তিনি বিষয়টি পুলিশ সুপারের কাছে মোবাইল ফোনে জানালে পুলিশ সুপার থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি টিম পাঠিয়ে উক্ত দুইজনকে আটক করেন। এসময় বাকী দুইজন পালিয়ে যায়। সাতক্ষীরা সদর থানার এস.আই প্রদীপ কুমার জানান, শহরের ইটাগাছা এলাকার শাহিনুর বেকারীতে সাংবাদিক পরিচয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদাবাজি করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত দুই জনকে আটক করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চাঁদাবাজ গ্রæপের হোতা মুনজিতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র আব্দুল হাকিম ও তার সহযোগি আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা গ্রামের আবুল কালাম সরদারের পুত্র জাহিদুর রহমান পলাশ। তিনি জানান, আটক মাজহারুল ইসলাম নিজেকে স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক সুপ্রভাত ও মামুন হোসেন নিজকে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার সাংবাদিক বলে এ সময় পরিচয় দেন। তিনি আরো জানান, সাংবাদিক পরিচয়দান কারী আটক দুই চাঁদাবাজসহ এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বেকারী মালিক আব্দুল খালেক বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়েরর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে, শহরের কয়েকজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সাংবাদিক পরিচয়দানকারী এই চাঁদাবাজ গ্রপটি জেলার বিভিন্ন স্থানে কখনও সাংবাদিক কখনও ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Please follow and like us: