সাতক্ষীরার মাছখোলায় ঘের লুট ও হত্যা চেষ্টা, থানায় মামলা দায়ের

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার মাছখোলায় পূর্ব শত্রæতার জের ধরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের ঘের লুট ও ঘের কর্মচারীকে হত্যা চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় মৎস্য ঘেরের কর্মচারী আবু তাহের ও মৎস্য ঘেরের অংশিদার মোঃ আব্দুস সবুর এবং ঘের মালিকের ভাইপো মোঃ রাজু আহমেদ গুরুতর আহত হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর ব্র²রাজপুর মাছখোলা ছাগলা গেটের দক্ষিণ পূর্ব পাশের্^ গত ইং ১৭ই এপ্রিল বেলা অনুমান সাড়ে ১২ টায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দা, লোহাররড, জি আই পাইপ, হকিস্টিক, বাঁশের লাঠি দিয়ে রাউফুজ্জামানের পৈত্রিক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্দবস্তকৃত ৪ বিঘা জমি ব্র²রাজপুর মাছখোলা মৎস্য ঘেরে দামারপোতার গ্রামের আব্দুল খালেক মজলিসের পুত্র তৌহিদজ্জামান,ওমরা পাড়া গ্রামের ইব্রাহিমের পুত্র রিপন মোড়ল, দহাকুলা পূর্ব পাড়ার তাজেল সরদারের পুত্র মাসুদ রানা ওরফে কোফা মাসুদ, দামারপোতা গ্রামের মৃত আনসার বিশ^াসের পুত্র গোলাম ছাকিয়ার, লবনগোলা গ্রামের ছাকার উদ্দীন এর পুত্র আজিবর, দামারপোতা গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র কামরুজ্জামান ও হাফিজুল ইসলাম এবং একই গ্রামের মৃত আফতাব বিশ^াসের পুত্র সিরাজ বিশ^াস, পরশ উল্লাহ পুত্র আব্দুল খালেক, ওমরা পাড়া গ্রামের সোলায়মান হাজির পুত্র মেহেদী হাসান, কাশেমপুর গ্রামের ছহিল উদ্দীন এর পুত্র শওকত হোসেন, চাঁদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের পুত্র আনিস ডাকাত, চেলার ডাঙ্গা গ্রামের আরশাদ আলীর পুত্র ইশার আলী, দহাকুলা গ্রামের আব্দুস সোবহান কাহার এর পুত্র সেলিম হোসেন, বড়দল গ্রামের ইসলাম কারিকরের পুত্র ফজলুর রহমান, ফজর আলীর পুত্র আব্দুস সবুর, নওশের আলীর পুত্র মাহমুদ হাসানসহ অজ্ঞাত ১৫/১৬ জন অনধিকার প্রবেশ করে ৬ মন গলদা চিংড়ি, যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৮০ হাজার, ৯ মণ সাদা মাছ যার আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা, ক্যাশে থাকা ৩০ হাজার ৫শত টাকাসহ অন্যান্য প্রায় ১৪ হাজার ৩শত টাকার জিনিসপত্র লুট করে। এসময় রাউফুজ্জামানের অংশীদার মোঃ আব্দুস সবুর এবং ঘের মালিকের ভাইপো মোঃ রাজু আহমেদ ও কর্মচারী আবু তাহের বাধা দিলে তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতারী কুপিয়ে ও মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। এবিষয় সাতক্ষীরা সদর থানায় ১৮ই এপ্রিল ঘের মালিক রাউফুজ্জান বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামী করে ্ও অজ্ঞাত আরো ১৫/১৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন, যার নং-জিআর ৩৩/২৭২, তাং- ১৯/০৪/২১ইং । এবিষয়ে রাউফুজ্জামান বলেন, আমি সহ আমার পরিবার জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় দিন যাপন করছি। উল্লেখ্য এ সন্ত্রাসী বাহিনীই পূর্বে আমার ছোট ভাই আইনের ছাত্র রাফেউজ্জামানকে কুপিয়ে হত্যা করে। যার ১নং স্বাক্ষী ও বাদী আমি নিজেই । মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন আছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত্্া বুরহান উদ্দীন এর কাছে এ প্রতিবেদক জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, খুব দ্রæত আসামী আটক করা হবে।

Please follow and like us:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here