রাজবাড়িতে ৩৪৯ টি মণ্ডপে চলছে দুর্গা পূজার আয়োজন।। 

রাজবাড়িতে এবার ৩৪৯ টি মণ্ডপে দুর্গা পূজার আয়োজন চলছে। করোনার আর অর্থনৈতিক কারণে এবার ২৩ টি মণ্ডপে পূজা হচ্ছে না। প্রতি বছরই মণ্ডপের সংখ্যা বাড়লেও এবার কমেছে। এরই মধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে বেশিরভাগ মণ্ডপে। এখন চলছে রং তুলির কাজ।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, গতবছর পাঁচটি উপজেলা ও দুইটি পৌরসভার মোট ৩৭২ টি মণ্ডপে দূর্গা পূজা হয়েছিল।
রাজবাড়ি পৌরসভা এলাকার অতিন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব বলেন, ২২ অক্টোবর পঞ্চমী পূজার মাধ্যমে দুর্গা পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। আর প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে ২৬ অক্টোবর। এরই মধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রতিমায় রং তুলির কাজ বাকি রয়েছে।
বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর বাজার পূজামণ্ডপে প্রতিমা তৈরি করছেন শিল্পী সুধাংশু পাল। তার বাড়ি যশোরের খাজুরাতে তিনি জানান, প্রায় ১২ বছর ধরে জামালপুর বাজারের মণ্ডপে প্রতিমা তৈরি করেন তিনি। আগের বছরগুলোয় ১০টি পর্যন্ত প্রতিমা তৈরি করলেও এ বছর একেকজন প্রতিমাশিল্পী ৪-৫টি করে প্রতিমা তৈরি করছেন।
মাগুরার নারায়ণ পাল এ বছর পাংশায় সাতটি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরি করছেন। তিনি জানান, এ বছর প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহৃত সব উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে খড়ের দাম প্রচুর বেড়েছে।
রাজবাড়ি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনির্বান কুমার পাল জানান, করোনার কারণে গতবছরের চেয়ে এবার জেলায় দূর্গা পূজার সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া মণ্ডপে বা এর আশেপাশের এলাকায় উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স ব্যবহার, অতিরিক্ত আলোকসজ্জা, আরতি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে না। যে কোনও দুর্ঘটনার সংবাদ দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানার এবং জেলা কমিটির মনিটরিং সেলে জানাতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ২৬টি নির্দেশনা যথাযথ পালনের জন্য জেলার সব পূজা উদযাপন কমিটিকে অবহিত করা হয়েছে।
শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভায় জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বলেন, করোনার কারণে প্রতিটি মণ্ডপে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। দর্শনার্থী, ভক্ত ও পুরোহিতসহ সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মণ্ডপে নারী-পুরুষের যাতায়াতের জন্য পৃথক ব্যবস্থা থাকতে হবে। আতশবাজি ও পটকা ব্যবহার করা যাবে না।
Please follow and like us: