“আমি বাবার সেই ডাকের জন্যে অপেক্ষা করি”

৯ ডিসেম্বর আমার কাজ ছিল সকালে – সদাহাস্যময়ী পাপিয়ার কাছে কাজ সেরে কর্মযোগী গিন্নী আর কৃতি যার যার স্হানে নেমে গেলে অফিসে পৌছুলাম-

১০ ডিসেম্বর বাবার অন্তর্ধান দিবস।

অফিসে ফিরে আমার বহুকাল পুরনো ডাইরির পাতা উল্টোটে অভাবিতভাবে খুলে গেল ১০ ডিসেম্বর, ‘৭২ এর স্মৃতির জানালা –

আজ বাবার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী। চারিদিক কেমন নিস্তব্ধ। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে মিলাদের যাবতীয় ব্যবস্হা করতে লাগলাম। বিশ্বাস করুন মন এতক্ষণ ঠিক রেখেছিলাম কাজের মাঝে। কিন্তু যেইমাত্র রান্নাঘরে গেলাম শাহীদ আমার হাতে ইত্তেফাক কাগজটা দিল।প্রথম পাতায় দেখলাম বাবার ছবি – কান্নায় সমস্ত অন্তর যেন ভেঙে পড়তে চাইছিল। যাহোক এত সেন্টিমেন্টাল হলে তো চলে না। কিন্তু কানতে চাইনি।ইত্তেফাকের ভিতরে যখন বাবার চাদর গায়ে দেয়া ছবিটা দেখলাম তখন আর নিজেকে সামলে রাখতে পারলাম না। চিৎকার করে কেঁদে উঠলাম।আমার সমস্ত মনুষ্যসত্ত্বা যেন আমাকে ভ্রুকুটি করতে লাগলো। যেন তারা বলছে, ‘কাঁদছো কেন? ঐ তো তোমার বাবা দেখতে পাচ্ছো না! এইতো এখনই তোমায় ডাকবে তাঁর পাঁকা চুল বেছে দেবার জন্যে।’ কিন্তু হায় সবই যেন সান্তনার সুধামিশ্রিত বাণী।

বিশ্বাস করুন সমস্ত সময় আমি বাবার সেই ডাকের জন্যে অপেক্ষা করি।বাবার বড়ো আদরের ছেলে ছিলাম। বাবা আমাকে নিয়ে কতো গর্ব করতেন। আমি বাবার পাঁকা চুল তুলে দিতাম – তাই বুঝি তাঁর আদরের মাত্রাটা আমার প্রতি বেড়েছিল! কিন্তু না, তার কারন ছিল সম্পূর্ন ভিন্ন। ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনার প্রতি ছিল দারুণ ঝোঁক (যদিও এখনো বড় হইনি) –
(এরপর কেনইবা ইংরেজীতে লিখেছিলাম আজ তা দুর্বোধ্য – তবুও সেই সময়ের তাৎক্ষণিক শিশু মনের অনুভূতির প্রকাশকে অবিকৃতভাবে তুলে ধরলাম যার মূল্য আজ অপরিসীম)

that seemed to have captivated my father. Among my brothers i was his most obedient boy. I was loved by him. I see everywhere his loving face. I feel his existence everywhere but my mind does not understand that he would never return – where he has gone, has gone forever. There is no alternative way to return. My heart always expects to hear the familiar voice, yes that is of my father’s. But my expectations are in vain.

I can still remember the scene. There is a mess at chameli bagh……….
That was the day of 10th December, 1971- the day before my father’s unknown death. It was evening. Sun’s rays were bidding goodbye from us.That day my paternal aunts with families came to our house for shelter and safety. In the evening father came to verandah wearing a bluish gray panjabi.
He was somber. Believe me dear I am not communicating lie to you.i did not see such somber face before. He was loitering – darkness shrouding all around Bangladesh. Here and there sounds of bombs and machine guns were heard. However it all created deadly scene all around. Please count upon me for the scenes that will never go out of my memory.
My most venerable father was loitering in the lawn at the house compound. Lights were on with shades all around because of the black out. The country was then under curfew – father was then writing sitting on his chair at the same time hearing the radio in low volume and saying, ‘there was something in my head’. We were eating and i was breaking a jest in front of shaheed, zaheed. tawheed and my mother.

Today is the 10th of December 1972. My father’s first death anniversary although it is unknown that whether he had died or not. But it had been taken for granted he is dead. The barbaric al-badr of cruel Pakistani troops that killed my father.
Such a renowned journalist will ever see the light of the day is under uncertainty.

লেখকঃ প্রকৌশলী নাসিম রেজা নূর।

Please follow and like us:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here