লকডাউনেও থেমে নেই শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা

দেশজুড়ে যখন চলছে লকডাউন; স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় যখন একেবারেই বন্ধ, দেশের তরুণ-তরুণীরা কিন্তু তখন থেমে নেই সংস্কৃতি চর্চায়। কেউ শুদ্ধস্বর সঙ্গীত চর্চা করছে কেউবা যন্ত্রসংগীত চর্চা করছে আবার কেউ কেউ চর্চা করছে নৃত্য, অভিনয়, চিত্রকলা, আবৃত্তি আরো কত কিছু। শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা মানুষকে সৃষ্টিশীল করে। মনকে প্রফুল্ল রাখার সবচেয়ে ভালো পন্থা এই সংস্কৃতি চর্চা। যার ফলে বিকশিত হয় অনেক নতুন সুপ্ত প্রতিভা। সংস্কৃতি চর্চার ফলে বিভিন্ন ভালো কাজের দিকেও অগ্রসর হবে এই তরুণ তরুণীরাও বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ব্যাপারে মনোবিজ্ঞানী ডাঃ তরিকুল ইসলামের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি বলেন, আমাদের দেশীও সংস্কৃতি চর্চার ফলে দেশীও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটছে। যদি দেশীও সংস্কৃতি চর্চা না করে ছেলে-মেয়েরা ওয়েস্টার্ন সংস্কৃতির দিকে বেশি ঝুকে পড়ে তবে আমাদের সামাজিক অবক্ষয় ঘটবে।

কিন্তু ছেলে-মেয়েরা যদি এই অবসর সময়ে নিজেদের সংস্কৃতি নিয়ে, নিজেদের ভাষা নিয়ে চর্চা করে তাহলে তাদের অবসর সময়গুলো খুব ভালোভাবে কাটবে এবং বিষন্নতা দূর হবে। দীর্ঘ একবছর করোনাকালীন সময়ে আমারা দেখতে পেরেছি যে, আমাদের দেশের উঠতি বয়েসি ছেলে-মেয়েরা মানসিক বিষন্নতায় এবং একাকিত্বতায় আত্মহত্যার মত পথও বেছে নিয়েছে। তারা যদি এই অফুরন্ত অবসর সময়কে সংস্কৃতি চর্চায় কাজে লাগায়, তাহলে আমাদের সংস্কৃতি বহিঃবিশ্বে জাগ্রত হবার সুযোগ পাবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা যেন অপসংস্কৃতির দিকে না অগ্রসর হয়ে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চায় নিজেদেরকে লিপ্ত করে এবং বেশি বেশি বই পড়ে।

ছবিতেঃ কেয়া আরবী সূহী, জয় সাহা, সুপ্ত গোস্বামী এবং মেহেদী হাসান শুভ।

Please follow and like us:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here