প্রকৌশলবিদ্যার পাশাপাশি সংগীতেও এগিয়ে যাচ্ছেন শোভন কর্মকার

0
491

প্রযুক্তির সাথে শিল্প -এই ব্যাপারটা সভ্যতার শুরু থেকেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। কিন্তু আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা যেন তার উল্টো চিত্রই  তুলে ধরে। আমরাই যেন শিল্প ও প্রযুক্তি বা বিজ্ঞানকে রেখে দিয়েছি দুই মেরুতে। তবে একটু অনুধাবন করলেই বোঝা যাবে তাদের মাঝে কি গভীর সখ্যতা।

সত্যিই যেন তাই। শোভন কর্মকারের অর্জনের ঝুলি খুললে সেই তথ্যের নিরেট প্রমাণ মেলে। শোভন কর্মকার, পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার সন্তান। পড়াশোনা করছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজির তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক্স কৌশল বিভাগে। এখানেই শেষ নয়। বুলবুল ললিতকলা একাডেমির রবীন্দ্রসঙ্গীত বিভাগের নিয়মিত বিদ্যার্থীও তিনি। একই সাথে দুটি বিদ্যা সব্যসাচীর মত রপ্ত করেছেন নিরলসভাবে।

আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার ১ম পুরষ্কার গ্রহণকালে

প্রতি বছরের ন্যায় বুলবুল ললিতকলা একাডেমি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা- ২০১৯ এর রবীন্দ্রসংগীতে ১ম স্থান এবং উচ্চাঙ্গসংগীতে ২য় স্থান অর্জন করেছেন। এছাড়াও তার ঝুলিতে রয়েছে ২০১৮ সালের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্র সংগীতে ১ম স্থান অর্জন এবং ইন্ট্রা ইউনিভার্সিটি ট্যালেন্ট হান্টে রবীন্দ্রসংগীতে ১ম পুরস্কার প্রাপ্তি।

শোভন কর্মকার একইসাথে কর্মরত আছেন ক্রিয়েটিভ ট্রেনিং সেন্টার এর তড়িৎকৌশল বিভাগের প্রশিক্ষক হিসেবে। এই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী সুজন ভৌমিক বললেন, “শোভন শুধু আমার প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবেই দায়িত্ব পালন করেন না, অবসর সময়ে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক প্রোজেক্ট নিয়েও ল্যাবে কাজ করতে থাকেন। তার এই প্রযুক্তি চর্চার মধ্যে আমি অনন্য সম্ভাবনা খুজে পাই”।

এর বাইরেও তিনি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচারাল ক্লাবের সদস্য এবং ইইই ক্লাবের জয়েন্ট ইভেন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন। তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানালেন, তিনি সৃষ্টিকর্তার, পিতামাতা ও তার শিক্ষক এবং গুরুমন্ডলীর নিকট কৃতজ্ঞ। তিনি শুদ্ধ সংগীত সাধনা এবং চর্চা করে যাবার জন্যকলের আশির্বাদ প্রার্থনা করেন। তার পিতা উত্তম কর্মকার তার সন্তানের এই অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত এবং তার স্বপ্ন তার সন্তান যেন তার নিজ পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের সাহায্যে আরো বড় অর্জন করতে পারে।

 

Please follow and like us: