ফেসবুকের গ্রূপ গুলোতে কি হচ্ছে?

ফেসবুকের গ্রূপ গুলোতে কি হচ্ছে? ২০১৪ সালরে জানুয়ারীতে বাংলাদেশে ৩৩৩০ জন ফেসবুক ব্যবহারকারী ছিলেন, যা সমগ্র জনসংখ্যার ১৯.৮% । তাদের বেশিরভাগই পুরুষ – ৭৩.৮%। বর্তমানে বাংলাদশেে প্রায় ২৫-৩০ মিলিয়ন ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়ছেনে। এর মধ্যে ৭২% পুরুষ এবং ২৮% মহিলা। এই ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগ বয়স ১৮-২৪ বছররে মধ্য।
এই ফেসবুকে গ্রূপগুলোতে কি হচ্ছে? গ্রূপের অভ্যন্তরে কি ধরনের আলোচনা হচ্ছে? ইচ্ছেমতো গ্রূপ খুলছে যে কেউ। বাংলাদেশে ফেসবুকে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক যে গ্রূপ সমুহ খোলা হয়েছে তা সরকারের নজরদারির আওতায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিগণ। এর কারন হিসেবে জানা গেছে যে, রাতভর অপ্রাপ্ত বয়স্ক উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়ে উভয়ই এবং অনেকেই গ্রূপে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন তথ্য আদান প্রদানে ব্যস্ত থাকেন। এর মধ্যে সমাজের জন্য ভালো কিংবা খারাপ অথবা জঙ্গিবাদী কোন আলোচনা করছেন কিনা তা বোঝা যায় না। অনেকেই আবার গ্রূপ চ্যাটিং এ শিক্ষনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এতে অনেকের উপকারও হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই গ্রূপ চ্যাটিং এর ফলে অনেকেরই মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এমনও হয়েছে এই গ্রূপ চ্যাটিং পরপরই অথবা এর পরদিন পরিকল্পিতভাবে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন। অনেকেই আবার আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নিচ্ছেন। অনেকেই আবার গ্রূপেই সংঘাতের মধ্যে জড়িয়ে একে অপরকে হেনস্ত করেছেন। ফলে প্রতিনিয়তই জনমনে প্রতিহিংসা তৈরি হচ্ছে এবং মানুষ ধীরে ধীরে সামাজিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে সুধীজন মনে করেন।
এজন্য ফেসবুক আইডি খুলতে হলে এবং গ্রূপ খুলতে হলেও সরকারী সংস্থার অনুমতি নিয়ে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা করে তারপর খোলার ব্যবস্থা রাখার জন্য অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেন। এ বিষয়ে সরকারের কড়া নজরদারীর জন্যও অনুরোধ করেন।

Please follow and like us: