লেবু ও লেবুর গুণাগুণ

জেনে নেওয়া যাক লেবু ও লেবুর গুণাগুণ সম্পর্কিত তথ্য, লেবু হল সাইট্রাস লিমন (Citrus limon ) সাধারণ নাম। বংশবৃদ্ধিকারী টিস্যু আবৃতবীজী লেবুর বীজকে ঘিরে রাখে। লেবু রান্না করে বা রান্না না করে উভয়ভাবেই খাওয়া হয়। এই ফলের কদর মূলত রসের জন্যেই, যদিও এর শাঁস ও খোসাও ব্যবহৃত হয় প্রধানত রান্না ও বেকারির কাজে। লেবুর রসে প্রায় ৫ শতাংশ (প্রতি লিটারে ০.৩ মোলের কাছাকাছি) সাইট্রিক এসিড থাকে যার কারণে এর স্বাদ টক হয় এবং pH ২-৩ হয়। [১] লেবুর গুনাগুন: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, লেবুর মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি সর্দি-কাশির সমস্যা দূর করে। স্নায়ু ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়। ফুসফুস পরিষ্কার করে হাঁপানি সমস্যার উপশম করে। শক্তি বৃদ্ধি করে, লেবুর রস পরিপাক নালীতে প্রবেশ করে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে। এটি মানসিক চাপ কমাতে ও মেজাজ ফুরফুরা করতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। হজমে সাহায্য করে, লেবুর রস শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। বদহজম, বুক জ্বালার সমস্যাও সমাধান করে লেবু পানি। সেইসঙ্গে পরিপাক নালী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। ত্বক পরিষ্কার করে, লেবুতে ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক এসিড রয়েছে। এই রস শুধু ত্বকের তেলতেলে ভাবই দূর করে না, সেই সঙ্গে ত্বককে উজ্জ্বল করে দেয়। তাছাড়া লেবুর রস বয়সের বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। ওজন কমায়, লেবুতে থাকা পেকটিন ফাইবার খিদে কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা খালি পেটে লেবুর রস খান, তাদের ওজন দ্রুত হ্রাস পায়। সুতরাং ওজন বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা না করে প্রতিদিন সকালে লেবুর রস খান। কিডনিতে স্টোনের আশঙ্কা কমায়, শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়া না গেলেই কিডনিতে স্টোন জমার আশঙ্কা বাড়ে। আর ভিটামিন সি এই কাজটিই করে থাকে। শরীর থেকে যাতে ক্ষতিকর সব উপাদান পুরো মাত্রায় বেরিয়ে যেতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখাই ভিটামিন-সি প্রধান কাজ। তাই তো বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন সাইট্রাস ফল একসঙ্গে অনেক কাজে লাগে। তাই বলেই তো এই ফলগুলি খেলে শরীর এত চাঙ্গা থাকে। এছাড়াও, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৎপিন্ডের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তথ্যসূত্র : লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ড স্কাই।

শোভন কর্মকার, সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক।

Please follow and like us:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here