লিকার চায়ের গুণাগুণ!

শোভন কর্মকারঃ সকালে ঘুম থেকে উঠেই উষ্ণতার ঠোঁটে এক পেয়ালা ধোঁয়া ওঠা গরম গরম চা কারই না ভালো লাগে! কিন্তু সেই চায়ে যদি মেশানো হয় দুধ তাহলে চায়ের গুণাগুন পরিণত হবে শূন্যে। আসুন আজ জেনে নেওয়া যাক লিকার চায়ের গুণাবলি। লিকার চায়ে এমন কিছু উপাদান আছে, যা শরীরের ক্লান্তি দূর করে। সেই সঙ্গে হার্টের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে । লিকার চায়ে থিয়োফাইলিন নামে উপস্থিত উপাদান শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। এছাড়াও অনেক উপকার রয়েছে লিকার চায়ের । ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে লিকার চা। এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ এমন কিছু উপাদান উপস্থিত যা ফুসফুস, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যানসার প্রতিরোধ করে । শরীরে রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। এতে উপস্থিত টেনিস নামে একটি উপাদান শরীরকে ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে । লিকার চায়ে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম থাকায় মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় এবং ব্রেইনের কর্মক্ষমতা বাড়ে । হজমে সাহায্য করে লিকার চা। ফলত শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমতে পারে না। ওজন কমাতেও সাহায্য করে । লাল চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হার্টের রোগের সম্ভাবনা কমায়। হৃদয়কে চাঙ্গা রাখে । লিকার চায়ে উপস্থিত ফাইটোকেমিক্যালস যা হাড় শক্ত রাখে। আর্থারাইটিসের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা কমে । প্রতিদিন লিকার চা খেলে হজম ভালো হয় এবং গ্যাস্ট্রিকের মতো পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় । স্ট্রেস বা অবসাদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার অন্যতম ওষুধ লাল চা। এতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। ওজন নিয়ন্ত্রণেও লিকার চায়ের জুড়ি মেলা ভার। দুধ-চিনি ছাড়া লিকার চায়ে থাকে ২ ক্যালরি। ১ চামচ চিনি সহ লিকার চায়ে থাকে ১৬ ক্যালরি। ১ চামচ চিনি ও দুধসহ চায়ে থাকে ২৬ ক্যালরি। লিকার চায়ে হার্ট সুস্থ থাকে। ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাই প্রতিদিন লিকার চা পান করুন এবং সুস্থ্য থাকুন।

Please follow and like us:

হালনাগাদঃ