স্মৃতির জানালা থেকে ফিরে দেখা সেণ্টমার্টিন-২০২০

0
219

স্মৃতির জানালা থেকে ফিরে দেখা সেণ্টমার্টিন-২০২০
-এম,এ,হাকিম-মাগুরা:

গোধুলি লগ্নে সেণ্টমার্টিন সাগর তীরে আছড়ে পড়ছিলো একের পর এক ঢেউ। ঢেউয়ে ঢেউয়ে সুরের মুর্ছনায় সৃষ্টি হয় এক অনন্য সন্ধ্যা। সঙ্গীতের সুরে আরো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো সেণ্টমার্টিন পয়েণ্ট।শিল্পীদের নান্দনিক উপস্থাপনায় কারোরই যেন চোখের পলক পড়ছিলনা।এমন আয়োজনের মধ্য দিয়েই শেষ হয় চার দিনের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত আর সেণ্টমার্টিন ভ্রমন ও সাংস্কৃতিক সন্ধা।আসরের শুরুতেই- ‘মধু হই হই আরে, বিষ হাবাইলা’ এই জনপ্রিয় গানের গীতিকার ও সুরকার সেণ্টমার্টিনের আব্দুর রশিদ ও এক শিশু শিল্পীর কণ্ঠে আঞ্চলিক সুরে সঙ্গীত পরিবেশনা ছিলো মনোমুগ্ধকর।এর পর কক্সবাজার শিল্পীগোষ্ঠীর বৈচিত্রময় পরিবেশনায় দর্শক শ্রোতা পিন পতন নি: শব্দ আবার কখনো পাগল করা সুরে প্রাণের উচ্ছাসে নেচে গেয়ে আনন্দে আত্বহারা হয়।১৫ জানুয়ারী ২০২০ মাগুরা প্রেসকলাবের তেত্রিশ জন সাংবাদিকের হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রী বাহী গাড়িতে যাত্রা শুরু।গন্তব্য কক্সবাজার ও সেণ্টমার্টিন সমুদ্র সৈকত।মাগুরা হতে কক্সবাজার ভায়া ,ঢাকা,কুমিল্লা,চট্টগ্রামএবং কক্স বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ্য ১৬ ঘণ্টার বিরতিহীন যাত্রায় সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেশের নাগরিক হিসেবে যেমন আশ্বান্বিত হয়েছি, তেমনি যাত্রা পথে দু’ ধারে নজর কাড়া দৃশ্য,ভ্রমন পিপাসু মনকে আন্দোলিত করেছে।আমাদের গাইড করছিলেন ইমরান ভাই।
১৬ জানুয়ারী সকালে গাড়ি থামলো রির্সোট প্যারাডাইস এর সামনে এবং রির্সোট কাউণ্টার থেকে যথারীতি চাবি বণ্টন করা হলো। আমি ও মুসাফির নজরুল ৩০৪ নম্বর রুমে অবস্থান নিলাম। সারা রাত সাংবাদিক শফিকের নেতৃত্বে জুনিয়র সাংবাদিকরা মিউজিকের তালে তালে সঙ্গীত আর হাসি রহস্যে যেমন আন্দোলিত করেছে সকলের মনকে, তেমনি ঘুম জড়ানো চোখে ক্লান্তি আর অবসাদ নিয়ে সকালের গোসল-বাথরুম সেরে তড়ি ঘড়ি নাস্তার টেবিল-সরব হয়ে ওঠে সকলের উপস্থিতিতে। এমন সময় মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব সাইফুজ্জামান শিখরের উপস্থিতি যেন আরো প্রাণবন্ত হয়ে উঠলো। তিনি সকলের খোজ খবর নিলেন। মাননীয় সাংসদের সফর সঙ্গী এক ঝাঁক সাংবাদিকের সাথে যোগ হলো কক্সবাজারের সংসদ সদস্য সইমুর ছরোয়ার কমল সাহেব ,তোফায়েল ভাই সহ অনেক গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ।সকলের সম্মিলিত এ সফর আরো বর্ণাঢ্য হয়ে উঠলো। নাস্তা শেষ করে সকলে সাগর সৈকতে উপস্থিত হলাম।অসংখ্য মানুষের ভীড়ে একাকার হয়ে গেল আনন্দ উল্লাস আর সাগরের ঢেউ।এক দিকে সাইকেল,মোটর সাইকেল আর ঘোড়ায় চড়ার আনন্দ অন্য দিকে স্প্রীট বোটে ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ভ্রমন অর জোয়ার ভাটার দোলায় দুলে সাঁতার কাটা ,গোসল করার এক অর্পূব দৃশ্য সত্যিই মনোমগ্ধ কর ।আমি সাঈদ ভাই ,সঞ্জয় রায় চৌধুরী কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখলাম ।সু দৃশ্য ভবন গুলি সাগর পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে মাথা উচুঁ করে।শহরটি প্রতি দিন হাজারো মানুষের পদচারনায় মুখোরিত হয়ে ওঠে।কিন্তু যানজট মুক্ত পরিচছন্ন শানÍ পরিবেশ পর্যটকদের আকৃষ্ট করে বার বার। এবার রির্সোটে ফেরার পালা।দুপুরের খাবার শেষ করে ১ ঘণ্টার বিরতি।বিকেল ৩-৩০মি: এ হিমছড়ি হয়ে ইনানী সী বীসে সান্ধ্যকালিন সাগর সৈকতের দৃশ্য উপভোগ করার জন্য মেতে ওঠে সকলে।যথা সময়ে একটি লোকাল পরি বহনে যাত্রা শুরু।হিমছড়িতে পৌছা মাত্র সকলের নজর কাড়ে সু উচ্চ পাহাড়\পাহাড় আর সাগরের এমন মিতালি আল্লাহ তায়ালারএই অমোঘ সৃষ্টি ভাবিয়ে তোলে সকলকে।পাহাড়ের পাদদেশ হয়ে চলার পথে ,সাংবাদিক মুসাফির নজরুলের উচ্চ কণ্ঠে আল্লাহর আনুগত্য প্রকাশ করতে শোনা যায়।সন্ধার পূর্বে সাগর তীর সরোবরে ,খালি পায়ে হাঁটা আর ছবি তোলার হিড়িক।দিনের শেষে কক্সবাজার রির্সোট প্যারাডাইস এ ফিরে আসা।২ ঘণ্টা বিরতির পর রাতে তোফায়েল ভাইর আমন্ত্রনে হোটেলের ডিনার টেবিলে সাজানো মেন্যুতে ছিল কুরাল,লট্যে,টোনা সহ নানা প্রজাতের সামুদ্রিক মাছ। এ ছাড়া মুরগির কিমা,রোষ্ট, খাসির মাংস, সবজি,ডাল,ভর্তা,শুটকী ভোনা সহ নানা রসনায় ভরপুর।ইতোমধ্যে সভাব সুলভ হাস্যোজ্জল প্রিয় নেতা সাইফুজ্জামান শিখরের আগমন।আমরা দাঁড়িয়ে তাকে অভি নন্দন জানালাম।রাতের ডিনার শেষ হলো এবং সিদ্ধান্ত হলো আগামী কাল ১৭ জানুয়ারী টেকনাফ হয়ে সেণ্টমার্টিন যাওয়ার প্র¯‘িত।আমরা ফিরে ্এলাম যার যার রুমে। আমাদের কে কোন রুমে উঠেছে দেখার ফুরসৎ ছিলনা ।হঠাৎ সাঈদ ভাই ডেকে বল্লেন আমরা এই বিল্ডিং এ আছি।পিছনের দিকে তাকিয়ে দেখি প্রেসকলাবের সাধারন সম্পাদক শামিম খান ছোট্ট সাফওয়ানকে নিয়ে রুমে ঢুকছে।সাফওয়ান সার্বক্ষণিক চঞ্চল ,নির্ভিক আর হাস্যোজ্জল।কখনই তার চোখের পাতা পড়তে দেখা যায়নি।তাকে নিয়ে আনন্দে মেতে ছিলো সকলে সর্বক্ষণ ।সারা রাতের ঘুম জাগা জার্নি আর সারা দিনের হই হুল্লড়, অবসাদ আর ক্লান্তি নিয়ে বিছানয় গা এলিয়ে অঘোরে ঘুম। ভোরে আযানের সুর ভেসে এলেও চোখ যেন খুলছিলনা। হঠাৎ সাংবাদিক রাসেদের ফোন, কাকা ৯টার মধ্যে নাস্তার টেবিলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেবেন।সকালের নাস্তা শেষ হলো। নাস্তা ,দুপুরের খাবার আর রাতের ডিনার সকল সময়ে এম পি মহোদয়ের উপস্থিতিতে আমরা আপ্লুত হয়েছি।যার যার লাগেজ গুছিয়ে পরিবহনে উঠার পালা।কক্সবাজার থেকে টেকনাফের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু।যথাসময়ে টেকনাফে পৌছে লঞ্চের জন্য অপেক্ষা। সেই মুহুর্তে এম পি সাহেবের আগমন। এ সময় ইমরান ভাই আমদেরকে নিয়ে চেকপোষ্ট পেরিয়ে লঞ্চের ২য় তলার বি আই পি লাউঞ্জে েিয় গেলেন ।ইতি মধ্যে এম পি মহোদয় উপস্থিত হলেন। একটু পরেই জাহাজের হুইসেল বেজে উঠলো। আমাদের বহন কারী লঞ্চটি ধীরে ধীরে সাগর অভি মুখে যাত্রা শুরু করল। বাঁ দিকে নাফ নদীর জলসীমার পরেই মায়ান মারের সীমানা পিলার।মাঝে মাঝে সীমানা চৌকি গুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল ।তারপরই হিমালয়সম সুউচ্চ পাহাড়ের বেষ্টনি যেন পুরো মায়ানমারকে আড়াল করে রেখেছে।জাহাজের পিছনের দিকে তাকিয়ে দেখি পানির সাদা ফেনার উপর ঝাঁকে ঝাঁকে গাঙচিল আছড়ে পড়ছে।টেকনাফ থেকে সাগর তীর পর্যন্ত সবুজের সমারোহ-নীল পানি আর সাগরের ঢেউ একাকার হয়ে এক অপূর্ব দৃশ্য যা উপ ভোগ করছিলাম।এ সময় জাহাজের সামনের ডেকে দাঁড়িয়ে এম.পি মহোদয়ের সাথে সবাই ছবি তোলায় ব্যস্ত।ছবি তুলছিল আমাদের অফিস সহায়ক মিলন।এম পি সাহেব আমাকে বল্লেন ভাই এ দিকে এগিয়ে দাঁড়ান।মিলনের ছবি তোলা শেষ হলো।সেণ্টমার্টিন পর্যন্ত এম পি সাহেবের সাথে দাঁড়িয়ে,আমাদের জল সীমা সর্ম্পকে জানলাম ।তিনি বল্লেন,দ্বীপের ওপাশে থাল্যান্ডের জলসীমা পর্যন্ত আরও একশ কিলোমিটার আমাদের জলসীমা বিস্তৃত।সরকারের চেষ্টায় আর্ন্তযাতিক আদালতের রায়ে সমুদ্র পৃষ্ঠের বিশাল জলসীমা বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হওয়ার এই বাস্তব অভিজ্ঞতায় অভিভুত হলাম এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতায় মন ভরে উঠলো।অবিরাম গতিতে চলছে জাহাজ হঠাৎ সাগরের কুয়াশা ভেদ করে সামনে নকিছু একটা মালুম হলো।এম পি মহোদয় বল্লেন আমরা সেণ্টমার্টিনের কাছাকাছি পৌছে গেছি।তীরে পৌছাতেই এক ঝাঁক তরুণের কণ্ঠে ভেসে এলো- শেখর ভায়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।শুধু সেণ্টমার্টিন নয়-টেকনাফ,কক্সবাজারসহ যে সকল ভ্রমন পয়েণ্টে পৌছেছি সেখানেই প্রিয় নেতাকে অভিনন্দন জানানোর এই অভিজ্ঞতা আমাদেরকে আরও সম্মানিত করেছে আরও আপ্লুত হয়েছি।তীরে পৌছে আমরা ইমরান ভাইকে অনুসরন করলাম।সে এম পি সাহেবের কাছের মানুষ হওয়ায় সার্বক্ষনিক পাশে থেকে সহযোগিতা করেছে।তার প্রতি কৃতজ্ঞতা রইল।আমরা ৫/৬ জন করে ছোট ছোট গাড়িতে উঠলাম ।আমাদেরকে নির্দ্দিষ্ট রির্সোট পয়েণ্টে নামিয়ে দিল।দুপুরের লাঞ্চ শেষ করে সারা বিকেল কাঙ্খিত দ্বীপের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখলাম।বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের একটি গুরুত্বপর্ণ স্পট এই শৈবাল দ্বীপ।এখানকার স্থপনা বলতে একটি ইউনিয়নে যা থাকে তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।এখানকার পয়ি নষ্কাশন, রাস্তাঘাট,পরিচ্ছন্নতা,আলোর ব্যাবস্থা যা দৃষ্টিনন্দন করার বিষয়টি অনুপস্থিত।সন্ধায় সাংস্কৃতিক উৎসব।সাঈদভাই, ওলিয়ারভাই, এড:সণ্জয় রায় চ্ধৌুরি,ইবরাহিম আলী মোনাল সহ আমরা পাচঁজন এক সাথে সাংস্কৃতিক উৎসব উপভোগ করার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।ওলিয়ার ভইর সাদা দাঁড়ি-মাথায় টুপি,সুন্নাতি লেবাস মানিয়েছে বেশ।সাঈদ ভাই বল্লেন ,আ:হাকিম এত বড় হুজুরকে গানের জলসায় নেওয়া কী ঠিক হবে?আমি বল্লাম ওটা আপনার দয়িত্ব।হাসি ঠাট্টা করতে করতে জলসা প্যান্ডেলে পৌছালাম।শিল্পীদের চমৎকার উপস্থাপনায় দর্শক শ্রোতা মাঝে পিন পতন শব্দ ছিলনা।জলসা প্যান্ডেল সংলগ্ন খাবার টেবিলে ডাক পড়ল।রাতের ডিনার শেষ করে সবাই রির্সোটে ফিরে এলাম।
১৮ জানুয়ারী সকালের নাস্তা শেষ করে সবাই কেনাকাটায় ব্যাস্ত।শুঠকী সহ যার যার পছন্দের জিনিস কেনা শেষ করে দুপুরের লাঞ্চ করা হলো।আমরা বিকেল ৩টা ৩০মিনিটে সেণ্টমার্টিনকে বিদায় জানিয়ে লঞ্চ যাত্রা শুরুকরলাম,নাফ নদী হয়ে ঠেকনাফ নদী বন্দরের দিকে।টেকনাফ পৌছে এম,পি মহোদয় কক্সবাজার রওনা দিলেন।আমরা অন্য একটি পরিবহনে উঠলাম।পথ সংক্ষেপকরার জন্য-কক্সবাজার, হিমছড়ি, ইনানী,সাগর তীর হয়ে টেকনাফ যাওয়ার রাস্তায় প্রবেশ করলাম।কিছুদুর এগুতেই সেনা চৌকি নজরে পড়ল এবং পরিবহনটি আস্তে দাঁড়িয়ে গেল।সেনা সদস্যরা আই ডির্কাঁড চেক করল।এভাবেই ৪/৫টি চেক পোষ্টেই জিজ্ঞাসা করাহলো পারমিশন ছাড়া এরোডে ঢুকলেন কী ভাবে?আপনাদের সম্মানে ছেড়ে দিলাম।রাত ৮টায় কক্সবাজার পৌছালাম।কক্সবজার জেলা প্রশাসকের আমন্ত্রনে রাত ৯ টায় তাঁর বাংলোয় গেলাম এবং তিনি আমাদের অভ্যার্থনা জানালেন।ইন্দোল হিন্দোল পাহাড়ের এই চুড়া থেকে সিঁড়ি বেয়ে আরো কয়েক ধাঁপ উপরে জেলা প্রশাসক জনাব কামাল আহহমেদ মহোদয়ের বাস ভবন চত্বরে পৌছালাম।মনে হলো আমরা দোতলা পাহাড় চুড়ায় দাঁড়িয়ে আছি।বাস ভবন সংলগ্ন লম্বা একটি বাংলো।শাল কাঠের খুঁটি আর লোহার এ্যাংগেলের ফ্রেমের উপর গোল পাতার ছাউনি। ঘরের ভেতর সাজানো চেয়ার টেবিল এক চমৎকার পরিবেশ।রাতের ডিনার শেষ হলো,এর পর এম,পি, মহোদয় সহ জেলা প্রশাসকের সাথে সকলে মিলে গুরুপ ছবি তোলা হলো।১৫ জানুয়ারী থেকে ১৯ জানুয়ারী পর্যন্ত টানা ৫ দিনের এই ভ্রমন যেন ভিন্ন জগতে পৌঁছে দিয়েছিল।কক্সবাজার, সমুদ্র সৈকত,হিমছড়ি,ইনানী,টেকনাফ,সমুদ্রযাত্রা,সাগর দ¦ীপ সেণ্টমার্টিন,নীলসাগরের ঢেউ,জোয়ার-ভাটা,পাহাড়,সাগর,প্রিয় নেতা সইফুজ্জামান শিখর,কমল ভাই,তোফায়েল ভাই ও জেলা প্রশাসক আর প্রকৃতির এই সৌন্দর্যের লীলাভ‚মিসবার কাছ থেকে বিদাই নিয়ে ফিরে এলাম রির্সোটে ।যার যার লাগেজ নিয়ে গাড়িতে উঠলাম। পরস্পর সকলের উপস্থিতি নিশ্চিৎ হয়ে রাত ১২টায় গাড়ি ছাড়া হলো।ভোর ৬টায় কুমিল্লার একটি হোটেলের সামনে গাড়ি দাঁড়ালো।মাগুরার পারভেজ চাকুরীর সুবাদে কুমিল্লায় থাকে।তার আতিথীয়তা রক্ষার্থে সকালের নাস্তা করাহলো।ঢাকা এসে ইমরান,শফিক ও মোনাল নেমে গেল।মাওয়া ঘাটে এসে ১ ঘণ্টার বিরতি।এরপর লঞ্চে উঠে পদ্মা সেতু অতিক্রম করলাম।দুপুর ৩ টায় মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে গাড়ি থামল।৫ দিনের দীর্ঘ্য সফরের অনেক স্মৃতি নিয়ে যার যার বাড়ি ফিরলাম।আমাদের সহ যাত্রি ছোট্ট সাফওয়ান বাবার সাথে বাড়ি গেল।বার বার অনুভুত হলো সাফওয়ানরা বেঁেচ থাকবে ।আনন্দ ভ্রমন তাদের জীবনে আসবে অনেকবার।আমরা এই পৃথিবীতে থাকব না।এই নির্মম সত্যের সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন বিদ্ধমনে উত্ত¡র খুঁজে পাইনে।রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত পাহাড় আর সমতলে অসংখ্য রাখাইন শরনার্থী শিবির।নির্বাক তাকিয়ে প্রশ্ন বানে র্জজরিত করে বিবেককে।মহান সৃষ্টির এই চারণ ভুমিতে অধিকার ব্িঞ্চত মানুষের হাহাকার।

Please follow and like us:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here