বেনাপোল কাস্টমসে তথ্য পেতে সাংবাদিকদের হয়রানি: তথ্য প্রদানে টালবাহানা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং, দেখা হয়েছে: ৪৫৮৯ বার।
ছবির ক্যাপশন: বেনাপোল কাস্টমসে তথ্য পেতে সাংবাদিকদের হয়রানি: তথ্য প্রদানে টালবাহানা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ
বেনাপোল প্রতিনিধি:
বেনাপোল
কাস্টমস হাউসে রাজস্ব আদায়ের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে
বাধা প্রদান, তথ্য গোপন ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তথ্য অধিকার ও স্বচ্ছতার
তোয়াক্কা না করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একজন অন্যজনের দোহাই
দিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়
সাংবাদিকেরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই
থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কাস্টমসের রাজস্ব আদায়ের তথ্য সংগ্রহের জন্য
চলতি মাসের প্রথম থেকেই পরিসংখ্যান বিভাগে যোগাযোগ করে আসছেন সাংবাদিকেরা।
তবে তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বদলে তালবাহানা শুরু করেন পরিসংখ্যান
বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মচারী মাসুম।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১:৪৩
ঘটিকার সময় তথ্যের জন্য পুনরায় পরিসংখ্যান বিভাগে গেলে মাসুম সরাসরি তথ্য
দিতে অস্বীকৃতি জানান। এর আগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাহাত সাহেব ফোনে তথ্য
দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন এমন কথা উল্লেখ করার পরও মাসুম তা অমান্য
করে সাংবাদিকদের রাহাত অথবা মুক্তা নামে একজন অফিসারের কাছে যাওয়ার
পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে রাহাত সাহেবের দপ্তরে গিয়ে দেখা যায় তার
কটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। প্রত্যদর্শীদের মতে, রাহাত সাহেব যে দপ্তরে নেই
তা জানা সত্ত্বেও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সাংবাদিকদের হয়রানি করার জন্যই
মাসুম তাদের সেখানে পাঠান।
কাস্টমসের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণেই
রাজস্ব ঘাটতি ঢাকা দিতে এমন তালবাহানা করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু
পরিসংখ্যান বিভাগই নয়, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের বিভিন্ন শাখায় তথ্য চাইতে
গেলে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের সুপার হাফিজুর রহমানের কাছে
চেকপোস্টে চুরির সহযোগিতার অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনিও কোনো
সদুত্তর না দিয়ে বিষয়টিকে 'কমিশনার স্যারের এখতিয়ার' বলে পার পাওয়ার চেষ্টা
করেন।
তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে এই ধরনের গাফিলতি ও একজন অন্যজনের ওপর
দায় চাপানোর নীতি কাস্টমস প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে সরাসরি প্রশ্নের মুখে
ফেলছে। স্থানীয় সংবাদকর্মীরা জানান, ঘুষ ও দুর্নীতির লাগাম না টেনে তথ্য
গোপনের এই চর্চা বন্ধে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে কঠোর হস্তপে প্রয়োজন।
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
মো: আনিছুর রহমান
কমেন্ট বক্স